ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকেও একাধিক ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলের দিকে পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের তীব্রতায় আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা লেলিহান শিখায় আলোকিত হয়ে ওঠে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে কর্মরত দুটি বেসরকারি সূত্র জানিয়েছে, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বয়লার বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কেন্দ্রের ভেতরে সাধারণ প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আগুনের ঘটনা দৃশ্যমান হওয়ার পর জানতে চাইলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হাসান বলেন, “বিস্তারিত জেনে পরে জানাবো।” তবে এরপর তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে আগুন লেগেছে। কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে এবং তিনিও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানান।
ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মহেশখালী স্টেশন জানিয়েছেন।
