আমরা দ্রুত এই শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি

মহেশখালীতে হাফেজখানায় শিক্ষকের অমানবিক প্রহারে  ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ১২ নভেম্বর বিকাল ৫টায় উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূঁইছড়া মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া গাউছিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানায়। আহত শিক্ষার্থীর নাম মো: তাসিন (৭) । সে ওই ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামের ফিরোজ মিয়ার পুত্র। আহত শিশুটিকে তাৎক্ষনিক ভাবে মহেশখালী প্রতিনিধি সাংবাদিক ফরিদুল আলম দেওয়ান উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিভিষন কান্তি দাশ এর নিকট হাজির করে ছেলেটির বাবাসহ অভিযোগ দায়ের করলে নির্বাহী কর্মকর্তা এব্যাপারে তড়িত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জানা যায় আহত শিশুটি পুইছড়া মোহাম্মদীয়া গাউছিয়া ফোরকানিয়া হেফজখানায় কুরআন শিক্ষার ছাত্র। তার জ্বর হওয়ায় গতকাল মাদ্রাসায় যায়নি। বিকালে তার মা জাহানারা বেগম নিজে ছেলেটিকে নিয়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মৌ: রফিকূল ইসলামের নিকট নিয়ে জ্বরের কারনে ছেলেটি আসতে পারে নাই এবং হুজুর মারবে বলে মাদ্রাসায় আসতে চাচ্ছে না বলে নিজে নিয়ে আসছি, এই কথা বলে তাকে মারপিট না করার অনুরোধ জানিয়ে দিয়ে আসে। মা চলে আসার সাথে সাথে ওই পাষন্ড শিক্ষক ছেলেটিকে অপর ৪ জন ছাত্র দ্বারা হাত পা চেপে ধরে মাটিতে উপুড় করে ফেলে তার নিতম্বে ও পিটে এবং পায়ের তালুতে মারতে মারতে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে। ছেলেটির শোর চিৎকারে ঘটনাটি আশে পাশে জানাজানি হলে ওই শিক্ষক মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায়। পরে লোকজন ছেলেটিকে উদ্ধার করে প্রশাসনকে জানিয়ে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করে। পাষন্ড শিক্ষক রফিকূল ইসলাম হোয়ানক ইউনিয়নের ফকিরখালী পাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র বলে জানা গেছে।
Share To:

Sobkhabor24x7

Post A Comment: