বিশেষ সংবাদদাতা।।

চট্টগ্রামঃ  দ্রুত সরাদেশ শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে দেশের সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধিন ঐক্যফ্রন্ট। দৃশ্যতঃ আগামী জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতে এটি একটি বহুদলীয় রজনৈতিক জোট মনে হলেও অনেকেই মনে করছেন এটি আদতেই খালেদা জিয়া তথা বিএনপিরই একটি বিকল্প রাজনৈতিক প্রয়াস। আর এ প্রয়াসে কক্সবাজার থেকে নেতৃত্ব দিতে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম এক জন হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন কক্সবাজার -২ আসনে বিএনপি থেকে দু'বারের নির্বাচিত সাবেক এমপি আলমগীর ফরিদ।

গতকাল চট্টগ্রামে নয়া এ রাজনৈতিক জোট তথা ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে বিপুল নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন আলমগীর ফরিদ।

সমাবেশে তার এ অংশগ্রহণের পর তার নির্বাচনি এলাকা মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় তাকে নিয়ে নতুন ভাবে হিসেবনিকেশ শুরু হয়েগেছে বোদ্ধা মহলে। শেষপর্যন্ত এ জোটের টিকেটে তিনি এলাকায় শক্ত প্রার্থি হিসেবে আসতে যাচ্ছেন বলেও আওয়াজ পড়েছে ইতোমধ্যে।

সমাবেশে যোগদানের পথে আলমগীর ফরিদ।

আলমগীর ফরিদের ঘনিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে -আলমগীর ফরিদ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের নির্দেশনায় তিনি মহেশখালী-কুতুবদিয়ার বিপুল নেতাকর্মী নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে সমাবেশে যোগদান করেন।

এদিকে ঐক্যফ্রন্টের এ সমাবেশে আলমগীর ফরিদের যোগদানের ঘটনাটি এলাকার ভোটারদের মাঝে বেশ প্রভাব ফেলেছে। চলছে নানা জল্পনা কল্পনাও।

-ঠিক কোন পটভূমিতে এ সমাবেশে যোগদিলেন? জানতে চেয়েছিলাম তার কাছে।

এমন প্রশ্নে তিনি জানান -'গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি অতঃপর নির্বাচন। এই দাবিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফার দাবি আদায়ে আমি রাজপথে ছিলাম আছি থাকব ইনশাল্লাহ।'

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশেই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বলে জানান সাবেক এ এমপি। প্রার্থীতার প্রশ্নে তিনি -এটি ভবিষ্যতই বলে দিবে বলে মন্তব্য করেন।

সভামঞ্চে আলমগীর ফরিদ।
সূত্র জানায় -আলামগীর ফরিদ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌছলে  নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসাবে সমাবেশ সফল করার দায়িত্ব ছিল তার। এর আগে মহেশখালী-কুতুবদিয়া থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী চট্টগ্রামে গিয়ে পৌঁছেন। তাদের ভাষ্য -পরিবর্তনের এই ডাকে আলমগীর ফরিদের হাত ধরেই দ্বীপবাসীর বিজয় সুনিশ্চিত হবে।

শেয়ার:

মন্তব্য দিন:

0 comments so far,add yours