মহেশখালীর ক্রাইম আন্ডরওর্য়াল্ডের ‘যম’ খ্যাত ওসি প্রদীপ


মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন/এম.বশির উল্লাহ 
᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁᠁
সম্প্রতি মহেশখালীর অপরাধ জগতের ‘যম’ হিসেবে পরিচিত মহেশখালী থানার ওসি আজ স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন- কোন শিক্ষার্থী ছাত্রত্ব ছেড়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়লে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে। এরা এসব অস্ত্র ছাত্রী অথবা কোনো নারী কিংবা পুলিশের উপর ব্যবহার করার চেষ্টা চালানো হলে ‘তকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত’ থাকতে হবে। আজ বেলা ১১ টায় মহেশখালী কলেজে এক অনুষ্ঠানে এলাকার সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম বিএ’র সামনে তিনি এমন ঘোষণা দেন। এসময় শত শত শিক্ষার্থীর করতালি মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান অঙ্গন। অনুষ্ঠানে আসা অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তার এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন। সম্প্রতি বড় মহেশখালী ফকিরাঘোনা এলাকায় কলেজ ছাত্রী সাবেরা হোসনা শেলী বখাটেদের হাতে নির্মমভাবে চুরিকাহত হওয়ার পটভূমিতে তিনি এমন ঘোষণা দেন।

বখাটেদের হাতে নির্মমভাবে চুরিকাহত কলেজ ছাত্রী সাবেরা হোসনা শেলী 

সম্প্রতি বড় মহেশখালীর ফকিরা ঘোনায় প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর একদল বখাটে চট্টগ্রামের কলেজের ছাত্রী কলেজ ছাত্রী সাবেরা হোসনা শেলীর উপর রাতের আঁধারে হামলা চালায়। অনেকটা ওই ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকেই এই হামলাটি চালানো হয়। হামলাকারী বখাটে দলের প্রধান খাইরুল আমিনও একজন বখে যাওয়া কলেজ ছাত্র। সে একই এলাকার মৃত কালাচানের পুত্র। এই বখাটের উক্ত্যক্ত তার হাত থেকে বাঁচতে ছাত্রী সাবেরা হোসনা শেলী চট্টগ্রামের একটি কলেজে গিয়ে পড়ালেখা চালাচ্ছিল। ইদে বাড়িতে বেড়াতে এসে সে এই হামলার শিকার হন। এদিকে খবর পেয়ে রাতে ঘটনার আধা ঘণ্টার ব্যবধানেই ওসি প্রদীপের নেতৃত্বে মহেশখালী থানা পুলিশের একাধিক ইউনিট ওই এলাকায় যুগপৎ অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলের আশপাশে বিশাল এলাকা কর্ডন করে তাৎক্ষনিক ভাবে আটক করে ঘটনার অন্যতম হোতা এবাদ উল্লাহকে। এবাদ উল্লাহ ওই এলাকার আব্দু শুক্কুরের পুত্র। রাতেই সন্দেহভাজন জনৈক জনপ্রতিনিধিসহ পুলিশ একাধিক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মূল হামলাকারী খাইরুল আমিনকে ধরতে মহেশখালীর বাইরেও বিভিন্ন লোকেশনে একাধিক অভিযান চালানো হয়। এনিয়ে থানায় দ্রুত মামলা হওয়ার পর হামলাকারী যাতে দুরে পালিয়ে যেতে না পারে সেই বন্দোবস্ত করতে বিভিন্ন স্থানে সর্তকতা দেওয়া হয়। এটি ইমিগ্রেশন পর্যন্ত ছড়িয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ।
ঘটনাস্থলে ওসির কঠোর তৎপরতাই নির্দেশ করে এই ছবিটি

নারীর প্রতি সহিংসতা মানা হবে নাঃ এক প্রতিক্রিয়ায় মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ মহেশখালীর সব খবরকে বলেন- নারীর প্রতি কোন প্রকার সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। হামলাকারী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কোনো স্থানেই তার পালিয়ে থাকার সুযোগ নেই। তিনি দ্রুত আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে খাইরুল আমিনকে আত্মসমর্পনের পরামর্শ দেন। 
 ( বিস্তারিত এই পোস্টোই আসছে )
শেয়ার:

মন্তব্য দিন: