স্থায়ী শহীদ মিনার পাচ্ছে ঘটিভাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


এম.বশির উল্লাহ।

আর রঙের আঁকা নয়, এবার ইট-সিমেন্টে নির্মিত বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবে ঘটিভাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই স্বপ্নপূরণ করতে সাহায্য করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রবিউল আলম। গত কয়েকদিন আগেই শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে প্রায়ই সম্পন্ন পথে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রবিউল আলম রবি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল আলম বলেন, ‘প্রতিবছর রঙের আঁকা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেও প্রকৃত সুখ পাওয়া যেত না। এবার ইট-সিমেন্টে গড়া স্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারবো। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করছে।’
এদিকে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান এবার ২১ ফেব্রুয়ারির অপেক্ষায় আছে। ওই দিন স্যার ও ম্যাডামদের সঙ্গে আমরা সবাই শহীদ মিনারে ফুল দেবো।

জনাব, আব্দু শুক্কুর বলেন শিক্ষার্থীদের ভাষা শহীদদের প্রতি রয়েছে অকৃত্রিম ভালোবাসা। প্রতিবছর ঘটিভাঙ্গা থেকে গোরাকঘাটায় গিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেন। সেই সময় থেকেই নিজ গ্রামের স্কুলে একটি শহীদ মিনার তৈরির স্বপ্ন দেখতেন তিনি।

রবিউল আলম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদে আছি উন্নয়নের জন্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিদ্যালয়ে রঙের আঁকা শহীদ মিনার তৈরি করে তাতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছি। নিজের ইচ্ছা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে বাস্তবায়ন করতে এ বছর শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু করি। ইনশাআল্লাহ সর্বশেষ সম্পন্ন করবো। শহীদ মিনারটি তৈরি করতে পেরে বেশ ভালো লাগছে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল আলম বলেন, ‘শহীদ মিনার নির্মিত হওয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক দিনের আশা পূরণ হতে চলেছে। এখন অপেক্ষা ২১ ফেব্রুয়ারির।’তিনি বলেন, আমরা এর আগে বিদ্যালয় পরিচলনা পর্ষদের সহযোগিতায় রঙের আঁকা শহীদ মিনার তৈরি করে সেখানে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতাম। এবার সভাপতির উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মিত হওয়ায় সভাপতি রবিউল আলম রবিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন খোকন বলেন, জনাব, রবিউল আলম রবি একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ। তার এই মহৎ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই

Post a Comment

Previous Post Next Post