বদরখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখলের অভিযোগ দুই সহোদরের বিরুদ্ধে



 

 রকিয়ত উল্লাহ।।

অবৈধ দখলদারদের কবলে চকরিয়া উপজেলা বদরখালীর সিএনজি ষ্টেশন সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুইচ গেইট সংলগ্ন খালের জায়গা। ফলে মারাত্মক হুমকির মুখে পরিবেশ ও উপকূল। ফলে পানি চলাচলের জায়গা দখল ভরাট করে হুমকির মুখে উপকূল।  অভিযোগ উঠে কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগ সাজশে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র এসব জায়গা দখল করে তৈরি করছেন দোকান।

বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে জমি দখলের এই মহোৎসব। যাদের কাছে নেই বৈধ কাগজপত্র। কেউ আবার নিজে দখল করে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে

বেচে দিয়েছেন অন্যের কাছে। তারপরও কোন ধরণের ব্যাবস্থা না নেওয়ায় প্রতিযোগীতা চলছে দখলের।

এমনি অভিযোগ উঠে আকতার ও ইসমাইল নামে দুই সহোদরের বিরুদ্ধে।  তারা জায়গা দখল করে রাতারাতি কাঁচাপাঁকা দোকন নির্মাণ করতেছে। এবিষয়ে আক্তারে কাছে জানতে চাইলে তিনি জমিটি বদরখালী সমিতির মাতাখিলা জায়গা হিসাবে দাবী করে জামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি থেকে নামে মাত্র স্ট্যাম্প মূলে কিনে নিয়েছেন বলে শিকার করেন। জায়গার বৈধ কাগজ পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে এড়িয়ে চলেন। তারা দুই সহোদর দীর্ঘদিন ধরে এবি জালাল উদ্দীন সড়কে সিএনজি টমটম থেকে চাঁদা আদায় করে।এছাড়াও চট্টগ্রাম বাহী সিএনজি থেকে ১০০টাকা করে ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠে। তাদের কাছে পুরা জিম্মি বদরখালীর ষ্টেশন পরিবহন খাত। এই চাদাঁ আদায়ের  টাকা দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নামে বেনামে অবৈধ ভাবে জায়গা দখলের অভিযোগ ওঠে। 

এদিকে পরিবেশে আন্দোলন (বাপা)র একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদস্য বলেন বদর এভাবেই যদি প্রতিযোগীতা মূলক বদরখালীর  সুইচ গেইটের  জায়গা দখল করলে খাল আর থাকবে না এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে বলে জানান। এবং দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

 বদরখালী কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির সেক্রেটারি নুরুল আমিন জনি বলেন এটা সমিতির জায়গা না,সুইচগেইট সংলগ্ন জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের।তাই আমাদের করার কিছুই নেই বলে জানান।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন  ঠিক আছে আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখলকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি বলে জানান।

মন্তব্য

আগের পোস্ট পরের পোস্ট