মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হককে নৌকায় চায় ধলঘাটাবাসী


এ.এম হোবাইব সজীব।।
আগামী বছরের মার্চে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ঘোষণার সাথে সাথে মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনের হাওয়া। আর তাই যেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোটের মাঠে প্রকাশ্য ও গোপনে নানাভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নৌকার মাঝি হতে নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতারা নানাভাবে জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের কাছে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইউনিয়নে সরকারের বড় বড় মেগা প্রকল্প হতে যাওয়ায় এটি বর্তমান সরকারের পেষ্টিত ইস্যুর আসন হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

অন্যদিকে নির্বাচনকে ঘিরে অত্র ইউনিয়নের সাবেক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। 

তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার কতৃক দায়ের করা মামলার আসামী আওয়ামী লীগ নেতা বীর  মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক,সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা কৃষক লীগ।(সাবেক সভাপতি / সাধারণ  সম্পাদক ধলঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ  ও সভাপতি উপজেলা কৃষক লীগ এবং একাধিক বার কৃষি,সমাজ সেবা, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক উপজেলা আওয়ামী লীগ।)


তিনি বিগত ১৯৯৬ সাল থেকে দুই হাজার সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে চার বছর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন ধলঘাটা দূর্গম ইউনিয়নে। ভোটাররা জানান, নুরুল হক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালিন চার বছরে সে সময়ে তিনি যা উন্নয়ন করেছিলেন এর বাইরে এখন ডিজিটাল যুগে সিকি পরিমাণ কিছু হয়নি ধলঘাটা ইউনিয়নে। জীবনের শেষ বয়সে বঙ্গবন্ধু প্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌকার টিকেট পেলে ভোট ব্যাংক সৃষ্টি করে মসনদ নিজের কব্জায় নিয়ে নিতে পারেন এমনটা মনে করছেন তৃর্ণমূলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও ভোটাররা। আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা হওয়ার সুবাদে নৌকার মনোনয়নে দৌড়ে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক এমনটি মনে করছেন ভোটাররা।

সর্বোপরি নৌকার টিকেট পেলে ধলঘাটাবাসী নেতৃত্ব হিসাবে বেঁচে নিতে পারেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হককে। নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি হওয়াতে নির্বাচনি মাঠে নুরুল হকের পক্ষে অনেকটা এখন থেকে ভিতরে ভিতরে হৈ চৈ শুরু হয়েছে।


জানাগেছে, ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড নাছির মোঃ ডেইল থেকে ৯নং ওয়ার্ড সহ বেশ কয়েক'টি এলাকা রয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল হকের  ভোট ব্যাংক। তাছাড়াও তার ছেলে- মেয়েসহ আত্মীয় স্বজন আওয়ামী লীগ হওয়ার সুবাদে সেদিকে ভোটাররা তার দিকে ঝুঁকছে। সর্বোপরি নৌকার টিকেট পেলে ধলঘাটাবাসী নেতৃত্ব হিসাবে বেঁচে নিতে পারেন প্রবীণ এ আওয়ামী লীগ এ নেতাকে। 

উল্লেখ্য, সদস্য মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ,সাবেক ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ,সদস্য কক্সবাজার জেলা কৃষকলীগ, সাবেক আহবায়ক, কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগ, সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ধলঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ,

সাবেক ইউপি সদস্য তিনবার ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ' কে নৌকা প্রতীক দাবীদার মনে করেন ধলঘাটার ইউনিয়নের ভোটারেরা। 

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, হত দরিদ্র জনগোষ্টির সেবা করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য, তাছাড়া গ্রামীণ জনপদের অবকাঠামো এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র গ্রাম হবে শহর’ কর্মসূচীর বাস্তব রুপ দিতে নিজের ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, আমার এলাকায় সরকারের চলমান মেগা প্রকল্পে স্থানীয় বেকার যুবকদের শতভাগ চাকরি নিশ্চিত করবে। এছাড়া সমাজের শোষিত বঞ্চিত মানুষের পক্ষে বিশেষ করে নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের পক্ষে আমি কাজ করতে আগ্রহী। নারী সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার কোন বিকল্প নাই।

তবে সাধারণ ভোটারদের মন জয় করে যে কেউ হতে পারে আগামীর ধলঘাটার নতুন অভিভাবক। তবে সাধারণ মানুষের ধারণা নৌকার টিকেটেই হতে পারে ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের আগামীর কর্ণধার ও চেয়ারম্যান।

মন্তব্য

আগের পোস্ট পরের পোস্ট