আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকাল্পে বহিরাগত শ্রমিক প্রবেশে স্থানীয়দের প্রতিরোধ, উত্তেজনা - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকাল্পে বহিরাগত শ্রমিক প্রবেশে স্থানীয়দের প্রতিরোধ, উত্তেজনা


নিউজরুম।। মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকাল্পে একটি শ্রমিক নিয়োগ সিন্ডিকেট কর্তৃক আনা বহিরাগত শ্রমিকদের প্রকল্পে প্রবেশে প্রতিরোধ করেছে স্থানীয়রা। এ নিয়ে মাতারবাড়িতে দিনভর উত্তেজনা চলে। তবে তথ্য বলছে -স্থানীয় আপরাপর শ্রমিক নিয়োগ সিন্ডিকেটের উস্কানির কারণে বহিরাগতদের প্রতিহত করা হয়।
 
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন -মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে বহিরাগত লোকজনকে সিন্ডিকেট কর্তৃক চাকরি দেওয়ার ঘটনা যেনো থামছেই না। স্থানীয় এমপি ও জেলা প্রশাসক বার বার স্থানীয়দের চাকরিতে যুক্ত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দিলেও সে কথা যেনো কেউই শুনছে না।

জানাগেছে, ২৬ জুন (শনিবার) একদল বহিরাগত লোক চাকরি করার জন্য প্রকল্পে প্রবেশের সময় স্থানীয় জনতা সাইরারডেইল থেকে তাদের ধাওয়া করে। এ সময় এলাকাবাসী ৩৫ বহিরাগতকে আটক করে এলাকার বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে পুরো মাতারবাড়িতে উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সূত্র জানিয়েছে -মাতারবাড়ির তাপভিত্তিক কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পসকো নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লোকজন শ্রমিক নিয়োগের জন্য একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার পাশাপশি শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। প্রথমতঃ প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতিজন শ্রমিকের কাছ থেকে নিদৃষ্ট অংকের টাকা গ্রহণ করা হয়। পরে শ্রমিকের প্রতিদিনের বেতন থেকে একটি কমিশন কেটে নেয় এ সিন্ডিকেট।

মাতারবাড়িতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে কতিপয় নেতা ও প্রভাবশালীরাও এ নিয়োগ সিন্ডিকেটের হয়ে কাজ করে। ওখানে এটি একটি নিয়মিত ব্যাবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বলে জানান একাধিক সূত্র।

জানাগেছে -২৬ জুন (শনিবার) সকাল থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পের ২ নম্বর গেইট দিয়ে প্রবেশ করানোর জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিক নিয়ে আসে এ সিন্ডিকেটটি। ইউনিয়নের সাইরার ডেইল ও নতুন বাজার এলাকায় জড়ো করা হয় এ সব শ্রমিকদের। পরে তাদেরকে প্রকল্প এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করানো হলে স্থানীয় তাতে বাঁধা দেয়।

এ সময় মোট ৩৫ জন শ্রমিককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদেরকে মাতারবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে জানাগেছে।

জানাগেছে -এর আগেও বিভিন্ন সময় অনুরূপ ভাবে শ্রমিক প্রবেশে বাঁধা দেয় স্থানীয়রা। এমন বাঁধা দেওয়ার পেছনে মাতারবাড়ির স্থানীয় অন্যসব শ্রমিক নিয়োগ সিন্ডিকেটের উস্কানি রয়েছে বলেও সূত্রে প্রকাশ।  
-মাহবুব রোকন

No comments

Powered by Blogger.