আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মহেশখালী পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ - মহেশখালীর সব খবর

⬤ আমাদের নতুন ওয়েবসাইটে স্বাগতম। ⬤ আমাদের ওয়েবসাইট www.moheshkhalirsobkhabor.com ⬤ ফেসবুক ফেইজ www.facebook.com/m.sobkhabor ⬤ ইউটিউব চ্যানেল www.YouTube.com/Sobkhabor24x7 ⬤ ফেসবুক গ্রুপ www.facebook.com/groups/m.sobkhabor ⬤

মহেশখালী পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ


মহেশখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র,পুরুষ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মাঝে তাদের কাংখিত প্রতীক বরাদ্ধ প্রদান করে নির্বাচন রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা মো:-আবুল কালাম। এই লক্ষ্যে ৫ মার্চ শনিবার সকাল ১০ থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ৪ জন মেয়র প্রার্থী,৯ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৩২ জন পুরুষ কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক প্রদান করেন। তবে এবারের পৌর নির্বাচন দলীয় ভাবে হওয়ার কারনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মেয়র পদে দলীয় একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ায় নির্বাচন রিটানিং অফিসার প্রথমে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়ার হাতে দলীয় প্রতীক নৌকা তুলে দেন। এর পর প্রধান বিরোধী দল বিএনপি.র একমাত্র মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাশিকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ গ্রহণ করার জন্য বলা হলে তিনি অথবা তার কোন প্রতিনিধি তখন উপস্থিত না থাকায় আপাতত তা স্থগিত করেন। এর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র সরওয়ার আযম বি,এ কে তার কাংখিথ প্রতিক নারিকেল গাছ তুলে দেন। পরে অন্য দু’ জন মেয়র প্রার্থী উপস্থিত না থাকায় তাদের প্রতিনিধিরা প্রতীক গ্রহন করেন। তবে প্রতীক বরাদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি.র মনোনীত একক প্রার্থী মহিউদ্দিন বাশি মাত্র দু’জন সমর্থক নিয়ে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ গ্রহন করেন। তবে এবারের নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী থাকলেও মুলত তীব্র প্রতিদ্দন্ধতিা হবে আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সরওয়ার আজমের মধ্যে। অর্থাৎ গোরকঘাটা বনাম পুঠিবিলা। অপরদিকে মহিউদ্দীন বাশি বিএনপির মনোনিত প্রার্থী হলেও পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাধারণ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ৮০ ভাগ সাধারণ ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নন। তাই প্রধান বিরোধীদল বিএনপি’র মনোনিত একক প্রার্থী মহিউদ্দীন বাশি’র অবস্থান শুন্যের কোটায় । ফলে মহেশখালী পৌরসভা নির্বাচন হবে দ্বী-মুখি।
এদিকে প্রতীক বরাদ্বের নির্ধারিত দিনে একপ্রকার উৎসব ও আমেজে তৃণমূলের নির্বাচন জমে উঠেছে। সকাল থেকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের কর্মি সমর্থকদের নিয়ে তাদের প্রত্যাশিত প্রতীক পাওয়ার জন্য উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে জড়ো হয়। বিশেষ করে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী (বর্তমান মেয়র) আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সরওয়ার আযম বি,এ তাদের কর্মি সর্মথকদেরবিশাল বহর ও শোডাউনের মধ্যে দিয়ে প্রতীক নেওয়ার জন্য নির্বাচন রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ে আসে। পরে প্রার্থীরা তাদের কাংখিত প্রতীক পাওয়ার সাথে সাথেই কর্মী সমর্থকরা প্রতীক নিয়ে শুরু করেন আনন্দ মিছিল। প্রার্থীদের ফেষ্টুন , প্রচার-প্রচারণা ও শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো উপজেলা পরিষদ এলাকা উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রার্থীদেরকে প্রতীক বরাদ্ধ শেষে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভায় নির্বাচন রিটানিং অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:-আবুল কালাম বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রেরিত (পৌরসভা নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০১৫ এর এস,আর,ও নং-৩৪৫-আইন/২০১৫/-স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন,২০০৯(২০০৯ সনের ৫৮ নং আইন)এর ধারা ১২০ এর উপ-ধারা(১)এর দফা (ক), উপ-ধারা(২)এর দফা (খ),ধারা ২২// এর বিভিন্ন প্রকার আইন,আচরন বিধিমালাসহ প্রার্থীদের কি কি করনীয় যেমন,প্রচার-প্রচারণার সময়সীমা,মাইক ব্যবহার,প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রধাণ অফিস,ওয়ার্ড় ভিত্তিক নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন,শোডাউন,মিছিল,মিঠিং,পথসভাসহ আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় প্রার্থীদেরকে অবহিত ও সর্তক করেন। আগামী ৬ মার্চ থেকে নির্বাহী মেজিট্রেটের মাধ্যমে পৌর এলাকার প্রতি জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। যে প্রার্থী অথবা সমর্থক নির্বাচনের আচরণ বিধি লংঘণ করবে তাকে সাথে জেল অথবা জরিমানা করা হবে বলে তিনি সব প্রার্থীদের সর্তক করে দেন। আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বণিক,ওসি(তদন্ত) দিদারুল ফেরদৌস,উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বেদারুল ইসলাম,সাংবাদিক আবদুর রাজ্জাক, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ ও সাংবাদিক এম,বশির উল্লাহ প্রমুখ।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:আবুল কালাম ও থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বণিকের সাথে পৌর নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হবে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, ইতিমধ্যে আমরা পৌর এলাকার সবগুলি ভোট কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড়ের প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিট্রেট নিয়োগ দেয়া হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমান পুলিশ,র‌্যাব ও বিজিবি’র সদস্যরা আইনর্শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচনে বি-শৃংখলাকারীদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানাণ। উল্লেখ্য আগামী ২০ মার্চ মহেশখালী পৌরসভায় ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হবে।
Powered by Blogger.