আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মহেশখালীতে মদের কারখানা আবিষ্কার, নারীসহ আটক ও গ্রেফতার ৬ - মহেশখালীর সব খবর

মহেশখালীতে মদের কারখানা আবিষ্কার, নারীসহ আটক ও গ্রেফতার ৬

খালেদ মোশাররফ।। 
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশীয় মদের কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। দুইটি কারখানা থেকে নারীসহ ৪ কারিগরকে গ্রেফতারের পর তাদের তথ্য মতে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে আরও এক জনকে। এ সময় বিপুল পরিমাণ মদ ও মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইন-চার্জ(ওসি) দিদারুল ফেরদাউস জানান -সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়ে সন্ধ্যা অবদি চলে, পুলিশের একাধিক ইউনিট বিভিন্ন স্পটে অভিযান চালালেও দিনভর দুইটি কারখানার সন্ধান পাওয়াগেছে। উপজেলার মাতারবাড়ি ও হোয়ানকের পাহাড়ি এলাকায় এ দুই তরল মদ তৈরির কারখানার সন্ধান পায় পুলিশ। উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের গভীর পাহাড়ের কমলাঘোনা নামের এলাকায় বিশাল এক মদের কারখানা করে তাতে মদ উৎপাদন ও বিপণন করে আসছিল স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট। পুলিশ গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে ভোর থেকে ওই এলাকায় ছদ্মবেশে রেকি করে দুপুর নাগাদ অভিযান চালায়। এ সময় মদ তৈরির কাজে যুক্ত থাকা দুই কারিগরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন বড় মহেশখালী ইউনিয়নের মগরিয়া কাটা এলাকার জহিরুল মাঝির পুত্র  মোহাম্মদ আমির হেসেন (৩৫) ও একই ইউনিয়নের পূর্ব বড় ডেইল এলাকার আবুল হোসেন এর পুত্র মো. আমান উল্লাহ(৩৭)। এদিকে তাদের দেওয়া তথ্যমতে হোয়ানক ইউনিয়নের বারঘর পাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আরও একজন মদ তৈরির কারিগর নুরুল হক(৩২)কে। ওই কারখানা থেকে আড়াই হাজার লিটার তৈরি মদ উদ্ধার করে বেশীর ভাগ মদ ওখানেই নষ্ট করে দেওয়া হয়, নমুনা হিসেবে জব্দ করা হয় দুশো লিটার মদ। উদ্ধার করা হয়েছে মদ তৈরির বিপুল সরঞ্জাম। এ সময় কারখানার পাশের এলাকা এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করা হয়েছে।

ওসি ফেরদাউস জানান -এদিকে উপজেলার মাতারবাড়িতে আলাদা অভিযানে আরও একটি মদের কারখানা আবিষ্কার করা হয়েছে। ওই খারখানায় তিনশো লিটারের মতো তৈরি মদ পাওয়া যায়। তা থেকে ৫০ লিটার মদ ও মদ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। বিপুল মদ উদ্ধার করার সময় নষ্ট হয়ে যায় বলে ওসি জানান।  এ সময় মাতারবাড়ির দক্ষিণ মগ ডেইল এলাকার এ কারখানা থেকে কারখানাটির মালিক আজবাহার বেগম(৪৮) ও তার পুত্র মোহাম্মদ মুন্না(২১)কে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে পুলিশ বাদি হয়ে আলাদা দুইটি মামলা করছেন বলে জানান তিনি।

No comments

Powered by Blogger.