সেতু চাই; সেতু না হওয়া পর্যন্ত পারাপারের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান চাই


বিশেষত: নৌকাডুবিতে নিহত কলেজ ছাত্র তোফয়েলের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে নৌপথের নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কথা। বিদ্যমান সেসব অব্যবস্থাপনা নিরসনসহ এ পথে সেতু নিমার্ণের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছে মহেশখালীর নানা-শ্রেণী পেশার মানুষ। তাদেরই একজন মহেশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরি। তিনি গতকাল ফেসুবকে সেতু চাই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে ফেসবুকে লিখেন,

“আমাদের অনেকেরই যুক্তি মহেশখালী একটিমাত্র উপজেলা তাই সেতু হবে না। ফেরির জন্য আন্দোলন করি। যারা পদ্মা পার হয়েছেন উনারা দেখেছেন পদ্মা পারাপারে ফেরি ও আছে, স্টীমার ও আছে। কিন্তু সময় বাঁচানোর জন্য মানুষ স্পিডবোটে যাতায়াত করে। কক্সবাজার থেকে মহেশখালীতে ফেরি পারাপার কত সময় লাগতে পারে? ফেরি লোড নিয়ে ছাড়তে কেমন টাইম লাগে কোন ধারণা আছে? আমরা কি আদৌ অপেক্ষা করব নাকি স্পিডবোটে চলে যাব? যারা ডেলি আসা-যাওয়া করেন, যাদের অফিস ধরতে হয় ওরা কি করবে? তার উপর খালের নাব্যতা নাই। ফেরি সাগরের মাঝখানে আপনাকে নামিয়ে দিবে। তো কি চাই? ফেরি নাকি সেতু? অযথা তর্ক না করে সবাই স্লোগান ধরুন"এক দফা এক দাবি সেতু চাই সেতু চাই।"এই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা সেতু না হওয়া পর্যন্ত পারাপারের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান চাই।
১. সরকারি আমলা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় স্পিড বোট ব্যবস্থা হলে সাধারণ জনগণের জন্য কেন নয়?
২. ঘাটের টোল আদায়ের সমস্যার সমাধান চাই।
৩. বড় স্পিডবোটের ব্যবস্থা করে টিকিট সিস্টেম করে দিতে হবে। যাতে সবার সমান অধিকার থাকে।” 

///অসীম// এস.ই//

Post a Comment

Previous Post Next Post