বাঙ্গালী জাতি প্রকৃত মুক্তি লাভ করেন ১০ জানুয়ারি


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হলেও প্রকৃত পক্ষে ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসার দিনই জাতি কলঙ্কমুক্ত হয় এবং প্রকৃত মুক্তি লাভ করেন। বাংলাদেশ তথা বাঙ্গালী জাতি যতদিন থাকবে এদেশের আপামর জনতা গভীর শ্রদ্ধাভরে জাতির পিতা তথা ১০ জানুয়ারিকে স্মরণ করবে। গতকাল বড় মহেশখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যেগে বিকেল ৩ টায় বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরী এই কথা বলেন। 

বড় মহেশখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি রাহামত উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সা.সম্পাদক মইনউদ্দিন জাহাঙ্গীর শিমুল, সহ-সভাপতি ফোরকানুল করিমের সঞ্চালনায় ছাত্রনেতা তারেক রহমানের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিেেয় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য মহেশখালী উপজেলা শ্রমীক লীগ সভাপতি মো.জাকারিয়া, সাবেক উপজেলা আ.লীগ নেতা মাস্টার রুহুল আমিন, বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সা.সম্পাদক মো: নুরুল আমিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাং.সম্পাদক এসএম আজিজুল হক, জেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব সাজেদুল করিম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাদুন মোস্তাফা, মহেশখালী ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক এম.আব্দুল মান্নান, উপজেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম-আহ্বায়ক হালিমুর রশিদ পুতু, মোবারক হোসেন বারেক, নুরুদ্দিন মাসুদ, মহেশখালী কলেজ ছাত্রলীগ সা.সম্পাদক সাকিলুর রহমান, সানাউল্লাহ সেলিম, শওকত ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম বাঙ্গালী, ছাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক এহছানুল করিম, মকছুদুল করিম, জেলা ছাত্রলীগ নেতা সরওয়ার কায়ছার সোহেল, যুবলীগ নেতা শাহজাহান, নাজির হোসেন, সালমান, রুবেল, হামিদ, আশেক, নজরুল ইসলাম পুতু, মোর্শেদ, রাশেল, হেলাল, নয়ন প্রমুখ। 

সমাবেশে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। একই ভাবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সমাবেশটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।  
শেয়ার:

মন্তব্য দিন: