পুলিশের হাতে বিপুল অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার হওয়া জামায়াত ক্যাডার কেরুণতলী এলাকার আলোচিত শাহজানের বিরুদ্ধে একটু আগে মহেশখালী থানা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলাটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। পুলিশের একজন এসআই বাদী হয়ে তাকেই একমাত্র আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে মহেশখালীতে উপকূলীয় সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে । এসময় জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের দেহরক্ষী আকতার হামিদের ছোট ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী জামায়াত ক্যাডার মোহাম্মদ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাহজাহান তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান - উপকূলীয় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একটি বড়ো দল মহেশখালীর চিংড়ী প্রজেক্ট এলাকায় লুটপাটের প্রস্তুতি নিতে একটি আস্তানায় অবস্থান করছে বলে বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর পেয়ে ২২ নভেম্বর বুধবার বিকেলে দ্রুত ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের অন্ততঃ ৩ টি পৃথক ইউনিট অভিযানে যুক্ত হয়ে বিশাল এলাকা কর্ডন করে রাখে। পরে এই অস্তানায় অভিযান চালিয়ে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী জামায়াত ক্যাডার মোহাম্মদ শাহজাহানকে গ্রেফতার করে। শাহজাহান পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তিনি স্থানীয় আব্দুল মাবুদ চেয়ারম্যানের সন্তান ও বাংলাদেশের এক কালের শীর্ষ জামায়াত নেতা গোলাম আযমের দেহরক্ষী হিসেবে বহুল আলোচিত আকতার হামিদের ছোট ভাই। পরে তাকে নিয়ে অভিযানে নামেন পুলিশ। এসময় সন্ত্রাসীদের আস্তানায় মজুদ থাকা ১০ টি বন্দুক ও ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। বন্দুকের মধ্যে দুইটি লম্বা বন্দুক ও ৮ টি লাইটার গান। ওসি জানায়-সন্ত্রাসী শাহজাহান চিংড়ী প্রজেক্ট এলাকায় একটি কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ১ ডজনেরেও বেশী মামলা আছে। তার অস্ত্র ভাণ্ডারে আরও অস্ত্র মজুদ থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এদিকে এই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের করেছে। তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।
শেয়ার:

মন্তব্য দিন: