আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মহেশখালীতে ঘুষ নিয়ে আটক বনদস্যুকে ছেড়ে দেয় বন বিভাগের প্রহরী সাঈদ (ভিড়িও) - মহেশখালীর সব খবর

⬤ আমাদের নতুন ওয়েবসাইটে স্বাগতম। ⬤ আমাদের ওয়েবসাইট www.moheshkhalirsobkhabor.com ⬤ ফেসবুক ফেইজ www.facebook.com/m.sobkhabor ⬤ ইউটিউব চ্যানেল www.YouTube.com/Sobkhabor24x7 ⬤ ফেসবুক গ্রুপ www.facebook.com/groups/m.sobkhabor ⬤

মহেশখালীতে ঘুষ নিয়ে আটক বনদস্যুকে ছেড়ে দেয় বন বিভাগের প্রহরী সাঈদ (ভিড়িও)

রকিয়ত উল্লাহ।। 
ঘুষ হিসেবে টাকা নিয়ে আটক করা এক এক আসামি(বনদস্যু)কে পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বন বিটের এক বন প্রহরীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি চলতি বছরের ২৭ জুনের হলেও সঙ্গতঃ কারণে সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাতে তোলপাড় পড়ে যায়।

সূত্র জানায় -চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জের অধীনে মহেশখালীর শাপলাপুরে বন বিভাগের একটি বিট অফিস রয়েছে। ওই অফিসের বনকর্মী হিসেবে কাজ কাজ করতেন আবু সাঈদ। চলতি বছরের ২৭ জুন রাতে বন কর্মচারী নন্দ দুলালের কাছে আসা সংবাদের সূত্র ধরে পাহাড় থেকে গাছ কাটার সময় শাপলাপুরের বিট কর্মকর্তা রাজীব ইব্রাহীমের নেতৃত্বে পাহাড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪টি গর্জনগাছসহ খালেক নামে এক বনদস্যু যুবককে আটক করা হয়। এখানে দস্যুদের লুট করা আরও কিছু গাছ থেকে যায়। পরে আটক খালেকের তথ্য অনুসারে বিট কর্মকর্তা রাজীব ইব্রাহিম, মমতাজ, নন্দ দুলাল ও ভিলেজার আবু আহমদ বাকি এ সব গাছ উদ্ধারে অভিযানে যায়। অভিযানে যাওয়ার আগে আসামি খালেককে বিট অফিসে বনপ্রহরী আবু সাঈদের জিম্মায় রেখে যাওয়া হয়। আটক খালেক একাধিক মামলার আসামি।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা অভিযান থেকে ফিরে এসে দেখেন বন বিটে সে আটক আসামি আর নেই। এতে তারা বিস্মিত হয়ে তাৎক্ষণিক অনুসন্ধানে জানতে পারেন বনপ্রহরী আবু সাঈদ আসামির কাছ থেকে অনৈতিক সুযোগ নিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে সুযোগ দেয়। তারা জানতে পারে আবু সাঈদ ঘুষ হিসেবে ছয় হাজার টাকা নিয়ে আসামিকে ছেড়ে দেয়। ঘটনার পর বিষয়টি অজ্ঞাত করণে অনেকটা ধামাচাপা পড়ে যায়, তবে সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে একটি ভিড়িও আমাদের হাতে আসে। এতে দেখা যায় স্থানীয় বন বিটে আনা আটক এ বনদস্যুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বন বিভাগের এক কর্মকর্তা।

আমাদের হাতে আসা সেই ভিড়িও>>


এ বিষয়ে দলের সদস্য ভিলেজার আবু আহমদ মহেশখালীর সব খবরকে বলেন -আমরা আসামিকে আটক করে বনপ্রহরী আবু সাঈদের জিম্মায় দিয়ে বাকী গাছ উদ্ধার করতে যাই। ওখান থেকে এসে দেখি আসামি আর নেই। কারণ জানতে চাইলে আসামি পালিয়ে গেছে বলে জানায় সে। কিন্তু পরে জানতে পারি টাকার লেনদেনের মাধ্যমে আসামিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বনপ্রহরী আবু সাঈদ বলেন -এ অভিযোগ সত্য নয়, এ রকম কোন আসামি ধরা পড়েনি। তিনি এ নিয়ে বিট অফিসারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে শাপলাপুরের বিট কর্মকর্তা রাজিব ইব্রাহীমের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অফিসে এসে বিস্তারিত জেনে নিতে বলেন এবং দ্রুত ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

মহেশখালীর রেঞ্জ অফিসার সুলতানুল আলম চৌধুরী এ ইস্যুতে নিজে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি তথ্য নিতে শাপলাপুরের বিট অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে সে দিন সরকারি বাগান থেকে লুট করা গাছসহ আটক হওয়া খালেক শাপলাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডস্থ পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত কালাচান মিয়ার পুত্র।

এদিকে বিশেষ সূত্রে জানাগেছে -ইতোমধ্যে এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বনপ্রহরী আবু সাঈদকে কারণ দর্শানোর পত্রও দিয়েছেন বন বিভাগের পক্ষ থেকে।

No comments

Powered by Blogger.