কুতুবজোম ইউপি নির্বাচন ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা -মত স্থানীয়দের





রকিয়ত উল্লাহ।। মহেশখালীর কুতুবজোমে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট শেখ কামাল ও  উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ঘড়িভাঙ্গা এলাকার বর্তমান মেম্বার নুরুল আমিন খোকার মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কুতুবজোমের সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এ সব তথ্য জানা গেছে।

সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন ক্ষমতায় থাকা কালীন এলাকার বেশ কিছু উন্নয়ন,বিচার -সালিসী ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। করোনাকালীন সময়েও ইউনিয়ন পরিষদের পাশাপাশি ব্যক্তিগত তলবিল থেকেও সাধারণ মানুষকে সাহায্য সহযোগীতা করেছে। তার আচার-আচরণে সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন। তার সাথে উপজেলা আওয়ামীলীগ থেকে শুরু করে জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে বেশ সু-সম্পর্ক।আর বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপির আস্থাভাজন হওয়ায় নৌকার মনোনয়নে বেশ এগিয়ে খোকন। তার পিতা কুতুবজোমের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মরহুম কবির আহমদের সুনামের পুঁজি করে সাধারণ মানুষের আস্তা অর্জন করে আবারও কুতুবজোমের মসনদে বসতে পারেন বলে মনে করেন।

অন্যদিকে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট শেখ কামল ও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। তার ও রয়েছে বিশাল ভোট ব্যাংক। যুবলীগের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে তরুন ভোটারদের দৌড়ে এগিয়ে শেখ কামাল।তিনিও আস্তে আস্তে মাঠ গোছিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।বটতলী,কালামিয়া বাজার, দৈল্যার পাড়া সহ বেশ কয়েটি এলাকায় তার রয়েছে ভোট ব্যাংক। তাছাড়াও কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল আলমের জামাতা হওয়ায় তার সেদিকে ও রয়েছে সার্পোট। সর্বোপরি কুতুবজোমবাসী তরুণ নেতৃত্ব হিসাবে বেঁচে নিতে পারেন শেখ কামালকে।

অন্যদিকে ঘড়িভাঙ্গা, সোনাদিয়াসহ বেশ কয়েটি এলাকায় রয়েছে বিশাল ভোট ব্যাংক। আর সেদিকে একজন প্রার্থী হওয়ায় একচেটিয়া ভোট ব্যাংকে এগিয়ে  উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও দুই বার নির্বাচিত মেম্বার নুরুল আমিন খোকা। সাধারণ মানুষকে সাহায্য সহযোগীতা করে পাশে থাকার সবসময় চেষ্টা করেন তিনি। করোনাকালীন সময়ে ব্যক্তিগত ভাবে সাধারণ মানুষকে  সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে ১,২ও ৩ নং ওয়ার্ডে অধিকাংশ মানুষ মৎস্য ব্যবসার সাথে জড়িত। আর খোকা মেম্বার ফিশিং বোট ও মাছ ব্যবসায়ী হওয়ায় তাদের সাথে খুবই সু-সম্পর্ক। তিনি এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে সবসময় অভিভাবকের মতো থেকেছেন। তাই তারা যে কোন মূল্যই খোকা মেম্বারকে চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই। তিনি ও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানা যায়।

আগামী মার্চেই ইউপি নির্বাচনে কুতুবজোম তিন প্রার্থী ছাড়াও কয়েকজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম শুনলে এখনো মাঠে প্রচার-প্রচরণায় নেই। মূলত তিন প্রার্থীর ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভবনা রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মন জয় করে যে কেউ হতে পারে আগামীর কুতুবজোমের নতুন অভিভাবক। তবে সাধারণ মানুষের ধারণা নৌকার টিকেটেই হতে পারে কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের আগামীর কর্ণধার।

Post a Comment

Previous Post Next Post