হোয়ানকে তুচ্ছ ঘটনায় হামলায় নারীবৃদ্ধসহ আহত ৪

 


মহেশখালী প্রতিনিধি।।
মহেশখালীর হোয়ানকের  বড় ছারার হিন্দু পাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মারাত্মক ভাবে ৪ জন আহত হয়েছে।


গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টায় হোয়ানকের বড় ছারার হিন্দু পাড়ার রুপন দের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে মহেন্দ্র লাল(৬০), খুলনা দে(৫০) রাধাকৃষ্ট দে(৬৫), স্বরস্বতি দে(৪৫), সিন্ধু দে কে মারাত্মক ভাবে যখম করে। 


স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গত ০৩ জানুয়ারি রাত দেড় টার সময়  রুপন দে এর ব্যবহারিত বাড়ির টয়লেটের নোংরা পানি ছাড়ে। এদিকে পার্শ্ববর্তী মহেন্দ্র দে (৬০) এর বাড়ি কাছাকাছি হওয়ায় দুর্গন্ধে মধ্যরাতে সবার ঘুম ভেঙে যায় এবং নোংরা পানিগুলো মহেন্দ্র দে (৬০) এর রান্নাঘরে কাছে চলে আসে। সকালে মহেন্দ্র লাল অভিযুক্ত রুপন দে ও তার মা মনষী বালা দে কে জানালে তারা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বাড়িতে অবস্থানরত ছেলেদের সাথে পরামর্শ করে রুপন দে উল্টো হুমকি দিয়ে বলে আমি কিছু করব  না। তোরা আমার বিরুদ্ধে যা পারিস তা কর। এদিকে নিরুপায় হয়ে মহেন্দ্র লাল দে এলাকার গণ্যমান্য মানুষদের টয়লেটের নোংরা পানির অবস্থা দেখালে; তারা রুপন দে এর মাকে নোংরা পানিগুলো পরিস্কার করে ফেলার পরামর্শ দেয়। এলাকার মানুষের দেওয়া সময়ে পার হয়ে গেলেও তারা গণ্যমান্য মানুষদের কথার কর্ণপাত করেনি। ঘটনার দিন সকালে স মহেন্দ্র লাল পুনরায় নোংরা পানিগুলো পরিস্কার করতে বললে, রুপন দে এর ভাই তপন দে (কালু) (৩২) পেছন থেকে এসে মহেন্দ্র লাল দে ও বড় ভাই রাধাকষ্ট দে এর ছেলেরা কেউ বাড়িতে না থাকা অবস্থায় মহেন্দ্র লাল দে এর মাথায় এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। চিৎকার শুনে তার বড় ভাই রাধাকৃষ্ট দে (৬৫), স্ত্রী সরস্বতী রানী দে (৪৮) এবং রাধাকৃষ্টের স্ত্রী খুলনা দে (৫০) এগিয়ে আসলে রুপন নিজে, তার মা, বোন লোহার রড, দা এবং লাঠি দিয়ে তাদের মারাত্মকভাবে জখম করে। জখম মারাত্মক হওয়ায় আত্মীয় স্বজন আহতদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে হাসপাতালের কতর্ব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। বর্তমান মহেন্দ্র লাল দে এর অবস্থা আশঙ্খাজনক বলে জানান মহেন্দ্র লালের ছেলে।

 এ বিষয়ে মহেশখালী থানার তদন্ত ওসি আশিক ইকবাল জানান,এরকম একটি অভিযোগ শুনেছি, তবে লিখিত পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

আগের পোস্ট পরের পোস্ট