-->
চালিয়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ ভবন থেকে ৫৫ ব্যাগ সিমেন্ট চুরি: ২৩ ব্যাগ উদ্ধার

চালিয়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ ভবন থেকে ৫৫ ব্যাগ সিমেন্ট চুরি: ২৩ ব্যাগ উদ্ধার


রকিয়ত উল্লাহ।।
কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে  নির্মাণাধীন কালারমার ছড়ার  চালিয়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজে মজুদকৃত সিমেন্টের গুদাম থেকে কয়েকদিন আগে ৫৫ ব্যাগ সিমেন্ট চুরি হওয়ার অভিযোগ উঠে। পরে চুরির ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় একটি লড়-সিমেন্টের সামনে থেকে  ২৩ ব্যাগ সিমেন্ট  উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে ঐ দোকানের মালিক কিংবা চোরের বিরুদ্ধে এখনো মামলা না করায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মাঝে চলছে তোলপাড়।        

   

 জানা যায়, মহেশখালীতে ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ কাজ চলছে।প্রতিটি নির্মাণ কাজের জন্য বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে ৬কোটি টাকা।  ওয়াহিদ নামের একটি ঠিিকাদরী প্রতিষ্টান এসব ভবন নির্মাণ কাজ পেয়ে কাজ শুরু করেন।ভবনের  গুনগত মান দেখার জন্য বিশ্ব ব্যংকের প্রতিনিধি রয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় চালিয়াতলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ  দেখাশুনা করার জন্য  দায়িত্বে  রয়েছেন অমিতাব নামের এক ব্যক্তি।

 ঠিকাদারের  পক্ষে রয়েছেন আরিফ ও হাছান নামের ২ জন ইন্জিনিয়ার।এ অবস্হায় গত ১ জানুয়ারী রাতে ৫৫ বস্তা সিমেন্ট চুরি হয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষের চাপে মুখে স্থানীয় একটি রড-সিমেন্টের দোকান থেকে ২৩ বস্তা ২ দিন পর উদ্ধার করতে সক্ষম হন।কিন্তু চুরি হয়ে যাওয়া সিমেন্টের মধ্যে ২৩ বস্তা উদ্ধার হলে ও ঐ দোকানদারের বিরুদ্ধে মামলা করেননি সংশ্লিষ্টর। এমনকি মামলা করতে রাজী না হওয়ায় সাইড ইন্জিনিয়ার হাছান ও আরিফের বিরুদ্ধে চলছে সমালোচনার ঝড়।এদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন,সিমেন্টের বস্তা চুরির পেছনে আরিফ ও হাছান জড়িত।

তবে অভিযুক্ত হাছান ও আরিফের কাছে  এ বিষয়ে  জানতে চাইলে মফিজ ও জামাল নামে দুই ব্যক্তি চুরি করে বলে জানান। তবে তারা জড়িত নই বলে দাবী করেন।



স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুর রহিম কাউসার জানান দীর্ঘ দিন ধরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে চুরি হলে ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হাসান ও আরিফ চোরের সাথে আতত করে সিমেন্ট  বিক্রি করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরে তারা চুরির ঘটনা জানাজানি হলে ২৩ ব্যাগ সিমেন্ট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যায়।


 উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর কাদের বলেন সিমেন্ট চুরির ঘটনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কেউ জানান নি।তবে স্থানীয় ইউপি মেম্বার জানালে বিষয়টি জানতে পারি। বিদ্যালয়ের নির্মাণ ভবনে একজন নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল।  তাকেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তাড়িয়ে দে। ফলে চুরির ঘটনা ঘটে। তাই নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি  আর্কষণ করেন।



স্থানীয় ইউপি মেম্বার লিয়াকত আলী খান জানান, স্কুলের সিমেন্ট চুরি কর বিক্রি করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে সিমেন্ট চুরির বিষয়ে যখন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দুই জনের নাম আসছে তখন চুরির সাথে যে বা যাহারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে  সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হউক।

শিরোনাম ছিলো.. "চালিয়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ ভবন থেকে ৫৫ ব্যাগ সিমেন্ট চুরি: ২৩ ব্যাগ উদ্ধার"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel