-->
কালারমার ছড়ায় পুলিশ ক্যাম্প আছে, পুলিশ নাই

কালারমার ছড়ায় পুলিশ ক্যাম্প আছে, পুলিশ নাই


রকিয়ত উল্লাহ।। মহেশখালী উপজেলায় অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় ক্রাইমজোম হিসাবে পরিচিত কালারমার ছড়া। খুন-খারাবী, ছিনতাই, চাদাঁবাজি, জমিদখল ও গোষ্ঠীগত হানাহানি ও আধিপত্য বিস্তারের কারণে বেশ আলোচিত উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ে এ ইউনিয়নটি । তাই আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এখানে ছিল একটি পুলিশ ফাঁড়ি। ফলে আইনশৃঙ্খলার ধীরে ধীরে উন্নতি হয়। বিভিন্ন কারণে নানা সমালোচনা থাকলেও ফাঁড়ির ফলে দৃশ্যমান সুফল এলাকার মানুষ দেখেছে। 

কিন্তু আশর্য্যজনক হলেও সত্য যে -বর্তমানে নামকাওয়াস্তে ফাঁড়ি থাকলেও ফাঁড়িতে নেই পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি। অবশ্যই এ প্রসঙ্গে ওসি জানিয়েছিলেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

জানাগেছে -গত বছরের শেষদিকে কালারমার ছড়ায় নৃশংস ভাবে গৃহবধূ আফরোজ হত্যাকান্ডের কয়েক দিনপর কালারমার ছড়া পুলিশ ক্যাম্পের সকল কনেস্টবলকে একযোগে বদলী করে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরে আর কোন নতুন পুলিশ সদস্য দেওয়া হয়নি। 

এরইমধ্যে কালারমার ছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত আরেক এ এস আই আব্দু রবকেও মহশেখালী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তার স্থলেও কাউকে দেওয়া হয়নি। এর পর বাকী থাকল ফাঁড়ির ইনচার্জ জহির উদ্দিন। 

তিনিও সম্প্রতি ৪৫ দিনের টেনিং চলে যান ইন-চার্জ জহির উদ্দিন। ফলে কালারমার ছড়া পুলিশ ক্যাম্প অনেকটা পুলিশ শূন্য হয়ে যায়।  

এদিকে পুলিশ ক্যাম্পে পুলিশ সদস্য না থাকায় বেড়েছে মাদক, চুরি, ডাকাতি, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম। দিন দিন হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা অবনতি। সম্প্রতি সকালে চালিয়াতলী এলাকায় যাত্রবাহী গাড়িতে দুর্ধর্ষ ছিনতাই এর ঘটনা ঘটেছে।  

স্থানীয় এলাকাবাসীর মত -দ্রুত সময়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে পুনরায় পুলিশ সদস্য বাড়ানো না হলে এ অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাবে। পুলিশ না থাকার খবর ইতোমধ্যে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের মধ্যে জানাজানি হয়েগেছে। সর্বশেষ আজ প্রকাশ্যে কালারমার ফাঁড়ির কাছে বাজারে এসে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মহড়া চালিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে নির্ভিগ্নে চলে গেছে। 

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত ফাঁড়িতে পুলিশ দিয়ে জনগণের জান, মাল রক্ষার দায়িত্ব পালন করা হউক। 

স্থানীয় দোকানদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাজারে সন্ত্রাসীরা এসে কুপিয়ে যখম করার সাহস পেয়েছে পুলিশ সদস্য না থাকার কারণে। যদি পুলিশ থাকত তাহলে এই সাহসটা পেত না। 

স্থানীয় চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ বলেন, কালারমার ছড়ায় পুলিশ ফাঁড়ি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ইউনিয়নটি ধলঘাটা শাপলাপুর মাতারবাড়ি তিনটি ইউনিয়ের মধ্যখানে হওয়ায় এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে রক্ষ করতে অবশ্যই পুলিশ ফাঁড়িতে সদস্য দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অনুরোধ জানান তিনি। 

এ বিষয়ে সম্প্রতি মহেশখালী থানার ওসি আব্দুল হাই এর সাথে আলাপ হয় এ প্রতিবেদকের।  তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিরোনাম ছিলো.. "কালারমার ছড়ায় পুলিশ ক্যাম্প আছে, পুলিশ নাই"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel