-->
হাসির ঝিলিক নাকি বিদায়ের বিষাদ? নৌকার মাঝি -কার কপালে কী জুটতে যাচ্ছে!

হাসির ঝিলিক নাকি বিদায়ের বিষাদ? নৌকার মাঝি -কার কপালে কী জুটতে যাচ্ছে!

রকিয়ত উল্লাহ।। মহেশখালীতে ইউপি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই আলোচনা হচ্ছে- কে পাচ্ছেন দলের মনোনয়ন। আর দলের টিকিট পেলেই আবারও হাসতে পারেন গত ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রতিকে নির্বাচন করে বিজয়ী প্রার্থীরা। নাকি পরিবর্তের সুর বাজছে! এই নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস চরম পর্যায়ে। নৌকা প্রতীক নিয়ে হাসির ঝিলিক দেখাবেন নাকি বিদায়ের বিষাদ নিয়ে পরিষদ থেকে বিদায় নিবেন এই নিয়ে চরম চিন্তায় আছে বিজয়ীরা।  এ অবস্থায় অনেকের প্রশ্ন -হাসির ঝিলিক নাকি বিদায়ের বিষাদ? কার কপালে কী জুটতে যাচ্ছে নৌকায় বিজয়ীদের !

তবে তারা নিজ নিজ কর্মদক্ষতায় এগিয়েছে অনেক দূর। জনগণের সেবা ও নিজ নিজ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করে  তৈরি করেছেন শক্ত অবস্থান তাই দলের প্রতি আস্থা রাখছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চেয়ারম্যান বলেন,  আমরা নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান হয়ে জনগণ সেবায় সবসময় নিয়োজিত ছিলাম এবং সরকারে কাজে সবসময় সহযোগিতা করেছি, কোন প্রকার দুর্নীতির আশ্রয় নিই নি। তাই তারা আবারও নৌকার মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত ইউপি নির্বাচনে প্রথম ধাপে মহেশখালীতে ৭ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন কুতুবজোমে মোশারফ হোসেন খোকন, হোয়ানকে মোস্তাফা কামাল, ধলঘাটায় কামরুল হাসান ও ছোট মহেশখালীতে জিহাদ বিন আলী।  কিন্তু বাকী ৩ ইউনিয়নে নৌকা নিয়ে মাতারবাড়িতে এনামুল হক চৌধুরী রহুল,  বড় মহেশখালীতে মোঃ শরীফ বাদশা ও কালারমার ছড়ায় সেলিম চৌধুরী পরাজিত হন। নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ীরা আবারও দলের মনোনয়ন পেলে আবারও চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করেন অনেকই।

শিরোনাম ছিলো.. "হাসির ঝিলিক নাকি বিদায়ের বিষাদ? নৌকার মাঝি -কার কপালে কী জুটতে যাচ্ছে!"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel