-->
ছোট মহেশখালী আওয়ামী লীগ সভাপতি জহির সিকদারের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

ছোট মহেশখালী আওয়ামী লীগ সভাপতি জহির সিকদারের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে এ অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। ছবিঃ আ ন ম হাসান
বিশেষ সংবাদদাতা।। ছোট মহেশখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার কবল হতে সরকারি খাস জমি উদ্ধার করেছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন। আজ (২২ মার্চ) সকাল থেকে এ উদ্ধার অভিযান চলে। এ সময় অবৈধভাবে নির্মাণ করা স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিনা বাধায় এক একর সরকারি জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হন প্রশাসন। স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জহির সিকাদার ও তার লোকজন এ দখলযজ্ঞ চালায় বলে সূত্রে প্রকাশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। 

জানা গেছে -২২ মার্চ (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি টিম এ উচ্ছেদ অভিযানে নামেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে এ অভিযান। এ সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। 

অভিযান সূত্রে জানাযায় -ছোট মহেশখালীর লম্বাঘোনা বাজার সন্নিহিত পাহাড়ি এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জহির সিকাদার ও তার লোকজন দীর্ঘদিন থেকে সরকারি ভূমি দখল করে কখনও মাটি বিক্রি, কখনও ভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ করে আসছিল। এ নিয়ে বিগত সময় একাধিক দফায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় ওসব এলাকায়। বিভিন্ন সময় স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হলেও এ ভূমিখেকো চক্রটি যেনো কোনোভাবেই ক্ষান্ত হচ্ছে না। এ জহির সিকাদার ও তার পরিবারের সদস্য এবং এ চক্রটির আওতায় কিছু সংখ্যক চেলাচুমাণ্ডা প্রশাসনের এ সব তৎপরতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে একের পর এক দখলযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছিল। আজও সে রকম দখল কাজে নামে চক্রটি, তারা সরকারি ভূমির উপর অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছিল। এদিকে সরকারি জায়গায় এভাবে দখলের বিষয়টি নজরে আসে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের। পরে আজ সকাল ১০টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল ওই এলাকায় পৌঁছান। সাথে যায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য। নিয়ে যাওয়া হয় স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়ার যন্ত্র স্কেভেটরও। 

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী স্কেভেটর দিয়ে স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় বিনা বাধায় প্রায় ১ একর সরকারি জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হন প্রশাসন। 

এ প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী মহেশখালীর সব খবরকে জানান -সরকারি জমি দখলের খবর পেয়ে ওই এলাকায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। শোনাগেছে এ কাজটি করছিল স্থানীয় জহির সিকদার নামের এক ব্যক্তি। তবে উচ্ছেদ অভিযান চলার সময় কেউ বাধা দিতে আসেনি, ফলে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। দখলদাররা ওই স্থানে পাকা দেওয়াল তোলার কাজ করছিল। অভিযানে প্রায় এক একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করে সরকারের আয়ত্তে নিয়ে আসা হয়। আগামীতে কেউ এ জমি দখল করতে চাইলে মামলাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ভিডিও>>

শিরোনাম ছিলো.. "ছোট মহেশখালী আওয়ামী লীগ সভাপতি জহির সিকদারের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel