আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ির নদীর ধারে মিলল স্বাভাবিক জীবনে ফেরা জলদস্যুর মরদেহ - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ির নদীর ধারে মিলল স্বাভাবিক জীবনে ফেরা জলদস্যুর মরদেহ


অতিথি প্রতিবেদক।।
মহেশখালীর মাতারবাড়ির কোহেলিয়া নদী থেকে একরামুল হক (৩০) নামের এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। একরামুল কালারমার ছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই।

স্থানীয় আবু বক্কর নামের এক যুবক বলেন, একরামুল আত্মস্বীকৃত একজন জলদস্যু ছিলেন। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে ৯৬ জন জলদস্যু অস্ত্রসহ নিজেদের সমর্পণ করেন। একরামুল তাঁদেরই একজন। তিন মাস আগে জেল থেকে বেরিয়ে শণের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

নিহতের মামা ও ইউপি সদস্য লিয়াকত আলীর দাবি, একরামুল আত্মসমর্পণ করায় এলাকার অনেক ডাকাত ক্ষিপ্ত ছিল। কিছুদিন আগে কবির ডাকাতকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করেছিলেন একরাম। সেই রেশ ধরে সহযোগীরা তাকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।

মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন, `মাতারবাড়ীর কোহেলিয়া নদীর বেড়িবাঁধের পাশে স্থানীয়রা ওই যুবকের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করি। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।'

No comments

Powered by Blogger.