আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ির সাইরার ডেইলে পুকুরে ড্রেজার বসিয়ে বালি উত্তোলন, ঝুঁকিতে পাশের গ্রাম ও সড়ক - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ির সাইরার ডেইলে পুকুরে ড্রেজার বসিয়ে বালি উত্তোলন, ঝুঁকিতে পাশের গ্রাম ও সড়ক


ফরিদুল আলম দেওয়ান।।
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নের সাইরার ডেইল গ্রামে পুকুর থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলনের ফলে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গ্রামের ভিতরে বসতবাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তা সংলগ্ন লোকালয়ে বিশাল পুকুরের ভিতর ভূগর্ভস্থ বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় ধসে পড়তে পারে পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাড়ি ঘর ও জন চলাচলের রাস্তা।

জানা গেছে  -গত এক বছর ধরে পুকুর থেকে চুরি করে বালি উত্তোলনের এমন অবৈধ কাজটি করছেন সাইরার ডেইল  গ্রামের ড্রেজার মালিক নুরুল আলমের পুত্র শাহাব উদ্দিন।

ঘটনাস্থলের পুকুরপাড় সংলগ্ন বাড়ির মালিক সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ রিদওয়ানের স্ত্রী রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে জানান, আর বাড়িভিটা ও পার্শ্ববর্তী মাতারবাড়ি দারুচ্ছুন্না মাদ্রাসার রাস্তা সংলগ্ন একটি বিশাল পুকুর থেকে সাইরার ডেইল গ্রামের ড্রেজার মালিক নুরুল আলমের পুত্র শাহাব উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বড় ইঞ্জিনের ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পুকুরের গভীরে ভূগর্ভস্থ বালি তুলে বিক্রি করে আসছে। ফলে পার্শ্ববর্তী তার নিজের বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর ও দারুসুন্না মাদ্রাসার রাস্তা ধসে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তারা ইতিপূর্বে ড্রেজার মালিককে বাধা-নিষেধ দিলেও বালু দস্যু শাহাবুদ্দিন তা অমান্য করে অবৈধ বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাড়ির মালিক রোকিয়া বেগম আরো অভিযোগ করেন, পুকুরের প্রকৃত মালিক যারা তারা বালি বিক্রি না করলেও মালিকের ভাই জনৈক মৃত জেবর মুল্লুক এর পুত্র ফজর রহমান প্রকাশ ফজরান প্রতিবেশী বদিউল আলমের পুত্র রফিক উদ্দিন এর বাড়ি ভিটায় ভরাট করার জন্য চুক্তিতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে শাহাবুদ্দিনের ড্রেজার বসিয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের এই মারাত্মক কাজটি ছালিয়ে যাচ্ছে। তার স্বামী সৌদি প্রবাসী হওয়ায় নিরীহ ওই মহিলার বাধা নিষেধ উপেক্ষা করে অবৈধ বালি ব্যবসায়ীরা অননুমোদিতভাবে পরিবেশ বিপর্যয়ের এহেন বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আইনি সহযোগিতা কামনা করছেন।

No comments

Powered by Blogger.