আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মহেশখালীর বন্ধু সংগঠনের ওয়েলভিং-২০ কে ফাঁদে পেলে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিল মাহাবুব-মোর্শেদ দুই ভাই - মহেশখালীর সব খবর

মহেশখালীর বন্ধু সংগঠনের ওয়েলভিং-২০ কে ফাঁদে পেলে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিল মাহাবুব-মোর্শেদ দুই ভাই


আবুল বশর পারভেজ।।
মহেশখালীর ২০ বন্ধুর একটি সংগঠন ওয়েলভিং-২০, যে সংগঠনটিতে রয়েছে উচ্চ শিক্ষিত ২০ বন্ধু এক একজন সরকারী বে-সরকারী  উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী। ২০২০ সালে ২০ বন্ধুর সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। তাদের গচ্চিত অর্থ দিয়ে স্বপ্ন ছিল নিজেরা মহেশখালীতে একটি বাণিজ্য প্রতিষ্টান ও সমাজসেবা অবদান রাখে। তাদের এই স্বপ্ন ধংশ করতে পরিকল্পিতভাবে মিশনে নামে সংগঠনের এক সদস্য মোর্শেদ আলম। মোর্শেদ আলমের বাড়ী মহেশখালী উপজেলা হোয়ানকের পানিরছড়া গ্রামে।

মহেশখালীর পানিরছড়ার মোঃ হোসেন মাসুম, শামিম ইকবাল, মোর্শেদ আলম, আতাউল্লাহ, বোরহান উদ্দিন আহমদ রায়হান, আব্দুছ সত্তার, আরিফুল ইসলাম সোহাগ, তহিদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, নুতন বাজারের মোঃ নেছারুল করিম, ফকিরাকাটা গ্রামের আনছারুল করিম, কেরুনতলীর দিদারুল করিম, শাপলাপুরের তারেক মাহামুদ, পুটিবিলার কামরুল হাসান সিকদার, কুতুবজোমের আবু হেনাম মোস্তাফ কামাল, মাইনুল ইসলাম ফয়সাল,  গোরকঘাটার ফারুক ইকবাল, শুকুরিয়া পাড়া আব্দুল্লাহ আল রশিদ সোহেল, যৌথ ব্যবসায়ী এই সংগঠনটির কাল হয়ে দাড়ায় তাদের এক                                সদস্য মোর্শেদ আলম। মোর্শেদ আলম অত্যন্ত সু-কৌশলে তার ভাই মাহাবুব আলমকে জমি ব্যবসায়ী সাজিয়ে কক্সবাজার সদরে জমি ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক বলে জমি কেনার সম্মতি আদায় করে।

যদিও ওয়েলভিং-২০ সংগঠনটির আর্থিক পরিচালনার দায়িত্ব থাকে মোর্শেদ আলম সহ অপর দুই জনের। মাহাবুব আলম একজন গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরিজীবি ছিল। সে বিগত কয়েকবছর ধরে একাধিক বার স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জামানত বাজেপ্ত হয়। দায়-দেনা বিপর্যস্ত হয়ে বিভিন্ন কৌশলে নানান ওজুহাতে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় লিপ্ত । চলতি বছরের ৪ই মার্চ ওয়েলভিং-২০ এর নামীয় ইসলামী ব্যংক মহেশখালী শাখা থেকে জমির প্লট কিনে দেওয়ার নামে দুই ভাইয়ের কারসাজিতে মাহাবুব আলমের নামে ১০ লক্ষ টাকার চেক গ্রহন করে। জমির প্লট কেনা স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর দুই ভাইয়ের চক্রটি ওয়েলভিং-২০ এর সদস্যদেরকে ঐ টাকা ফেরৎ দেওয়ার নামে বহুবার সময় দিয়ে মাহাবুব ও তার ভাই মোরশেদ আলম মহেশখালীতে না এসে আত্মগোপন করে থাকে। যে সময় ওয়েলভিং-২০ এর সদস্যরা মহেশখালীতে সমবেত হয় তখন সুযোগ বুঝে অন্যত্রে পালিয়ে থাকে। তারা টাকা না দিয়ে উল্টো হয়রানী করতে চেষ্টা করছে। টাকাগুলি উদ্ধারকল্পে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে উয়েলভিং-২০ এর সদস্যরা। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাহাবুব আলম জানায়, তাদের জমি ক্রয় করার কাজে আমি শুধু মাত্র একজন মাধ্য, টাকার কোন লেনদেন আমার সাথে হয় নি। মিডিয়া হিসাবে আমাকে জোর করছে ওয়েলভিং এর সদস্যরা।

No comments

Powered by Blogger.