আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

বাঙ্গালী জাতীয় জীবনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস অমর হোক - মহেশখালীর সব খবর

বাঙ্গালী জাতীয় জীবনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস অমর হোক




আব্দুর রহমান রিটন।।
প্রতিবেদক,মহেশখালীর সব খবর।

দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাঙ্গালি জাতি বিশ্ব দরবারে পরিচিত হয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে।১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙ্গালির বিজয় অর্জিত হলেও বাঙ্গালির সত্যিকারে বিজয় ছিল ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। বিজয়ের ২৫ দিন পর পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাঙ্গালি মানুষের দাবি ও বিশ্বনেতাদের চাপের মুখে মুক্তি দিতে হয় বাঙ্গালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে।


আজকের এই দিনটা বাঙ্গালী জাতির জন্য অনেক খুশির একটা দিন।কারণ পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে।পাকিস্তানি শাসকরা যখন বুঝেছিল, এদেশের মানুষকে আর বধ করা যাবে না,তারা মুক্তির জন্য দিশাহারা হয়ে গেছে।এমতাবস্থায় দেশের মাথাকে শেষ করার নিমিত্তে রাতের অন্ধকারে ২৫ শে মার্চের গ্রেফতার দেখিয়ে ধরে নিয়ে যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে।কিন্তু ধরে নিয়ে যাওয়ার আগেই এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে স্বাধীনতার স্বাদ দিয়ে যান তিঁনি।তাঁর তর্জনীর ইশারায় দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বীর বাঙ্গালির সিপাহীরা এদেশে স্বাধীনতা ফিরে আনে।২৬ শে মার্চ দেশ স্বাধীন ঘোষণা করা হল,সেই থেকে সংগ্রাম শুরু করে অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন হল।স্বাধীন দেশের, মুক্তিকামী জনতার প্রাণের স্পন্দন, সাত কোটি বাঙ্গালী অভিভাবক, হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানিরা আর জেলে রাখতে পারলো না।পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তাদের বন্দিদশা থেকে ৮ জানুয়ারি মুক্তি দেন বঙ্গবন্ধুকে এরপর ৯ তারিখ লন্ডন হয়ে দিল্লি এবং ১০ তারিখ বাংলাদেশে আসেন।ঢাকা বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত মানুষের যে ঢল, তাই প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি এদেশের মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসা।এক নজর দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে ছিল বাংলার মানুষেরা।

মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জেলে থাকা অবস্থায় বাঙ্গালী বিজয় অর্জনের পূর্ণতা স্বাদ পায়নি।১০ জানুয়ারি সেই স্বাদ গ্রহণ করেছিল সাত কোটি বাঙ্গালী। যা ছিল বাঙ্গালী জাতীয় জীবনের সত্যিকারের বিজয়।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর দেশপ্রেমে উৎযাপিত হোক মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

No comments

Powered by Blogger.