মহেশখালীতে খোরশেদের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ এড. কুতুব উদ্দিনের


সম্প্রতি আওয়ামী দোসরদের প্ররোচনায় ৮ জুন মহেশখালীর ঝাপুয়ার খোরশেদ আলম নামের এক ব্যক্তি তার ফেইসবুকে কক্সবাজার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য ও মাতারবাড়ির সম্ভ্রান্ত বিএনপি পরিবারের সন্তান এডভোকেট মোঃ কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি হেয় প্রতিপন্নমূলক পোস্ট দেন। মূলত কিছু স্থানীয় আওয়ামী দোসরদের প্ররোচনায় সামাজিকভাবে হেয় করতে AI ( আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এর মাধ্যমে কারসাজি করে কুতুব উদ্দিনকে আওয়ামী দোসর বলে মিথ্যা অ'পপ্রচার করেছেন খোরশেদ আলম। 

এই অ'পপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এডভোকেট কুতুব উদ্দিন ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দ। 

এ ব্যাপারে এডভোকেট কুতুব উদ্দিন এক প্রতিবাদলিপিতে বলেন, আমার বড় ভাই আলহাজ্ব মোঃ সাহাব উদ্দিন দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র রাজনীতির সাথে জড়িত। যিনি বর্তমানে মক্কা প্রাদেশিক বিএনপির সদস্য সচিব ও মহেশখালী উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং জিয়া সাংস্কৃতিক-জাসাস চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহ-সভাপতি। 

‎অপরদিকে আমার অপর এক বড় ভাই মোঃ নেছার উদ্দিন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন মৎসজীবী দলের সদস্য সচিব, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং মহেশখালী উপজেলা মৎস্য সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি। আমার আরেক বড় ভাই হাফেজ মোঃ কফিল উদ্দিন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের একজন সিনিয়র যুবনেতা। 

প্রতিবাদলিপিতে এডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরো বলেন, সদ্য ঘোষিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল এর ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে  সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিজেকে জাহির করেন এবং কিছু আওয়ামী দোসরের মাধ্যমে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মিথ্যাচার ছড়ায় খোরশেদ আলম। অথচ কমিটির ১১৯ নং সিরিয়ালের খোরশেদ আলম আদতে এই খোরশেদ নয়। এই খোরশেদ একজন প্র'তারক; যাকে এর আগেও কক্সবাজার এলএও অফিস থেকে দা'লালি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ও চেকের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আটক করা হয়েছিল। তার বাড়ি মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার ঝাপুয়ায় । এই খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জন থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ রয়েছে। যার ফলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খোরশেদ আলমের বি'রুদ্ধে প্র'তারণার অভিযোগ এনে বিভিন্ন সময় পোস্ট দেয়; যার প্রমাণও আমাদের হাতে এসেছে। ফলে এই খোরশেদ এর কারণে দলীয় ভাবমূর্তি বিন'ষ্ট হচ্ছে বলে দলীয়ভাবে অ'ভিযোগ এসেছে। 

পরিশেষে আমি বলতে চাই, ‎আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর ও সামাজিকভাবে অ'পপ্রচার করার জন্য খোরশেদ খোরশেদ ও তার সহযোগী আওয়ামী দোসরদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আমি এডভোকেট কুতুব উদ্দিন ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নেতৃবৃন্দ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।