ঘটিভাঙ্গা পাড়ার পশ্চিমে বিলীন হয়ে যাওয়া আব্দুল মালেকের ঘোনা প্রকাশ মালেইক্ক্যার ঘোনা। 
ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর কারণে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকায় বিশাল একটি চিংড়ী ঘেরের বাঁধ ভেঙ্গে বিলীন হয়েগেছে। এতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে ঘের মালিকদের। এই মুহূর্তে সরকারের জরুরী সহায়তা না পেলে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়বে এসব তৃণমূল চিংড়ী চাষিগণ। 
সূত্র জানায় কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা মৌজায় অবস্থিত ঘটিভাঙ্গা পাড়ার পশ্চিমে আব্দুল মালেকের ঘোনা প্রকাশ মালেইক্ক্যার ঘোনা নামের একটি চিংড়ী ঘেরে মাছ উৎপাদনে চাষে নামেন কয়েকজন নতুন উদ্যোক্তা। ৪০ একর জমি উপর গঠিত এই চিংড়ী ঘেরে বিপুল টাকার মাটি কেটে বাঁধ সংস্কার করেন তারা। জনৈক মোহাম্মদ জালাল, জিল্লুর রহমান মিন্টু, রেজাউল করিম ও মোহাম্মদ বাবুল নামের এই চাষি বিপুল সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ করে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিক থেকে এখানের পুরুদমে চাষ শুরু করেন। কয়েক দিনের মধ্যে এই ঘের থেকে রপ্তানীযোগ্য মূল্যবান চিংড়ী আহরণের কথা। কিন্তু সেই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে বিলীন হয়ে যায় সম্পূর্ণ ঘেরটি। এসব তরুণ চাষির স্বপ্ন ভেঙ্গে ধুলো হয়ে যায়। সেদিন ঘূর্ণিঝড়ের সাথে তীব্র জলোচ্ছ্বাস ও সামুদ্রিক অতিজোয়ারের পানির তোড়ে মুহূর্তেই ঘেরের সব বাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে লাখ লাখ টাকার চিংড়ী সমুদ্রের পানিতে বিলীন হয়ে যায়। এতে অন্তত: ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় তাদের। এই মুহূর্তে সরকারি সাহায্য না পেলে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর আর কোন উপায় নেই। এসব চাষি পরিবারের দাবী জরুরী ভিত্তিতে তাদেরকে সরকারী সহায়তার আওতায় এনে পুনর্বাসিত করা হোক। এবিষয়ে তারা এলাকার সাংসদসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
শেয়ার:

মন্তব্য দিন: