আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

ছোট মহেশখালীতে সাইনবোর্ড দিয়ে কবরস্থান দখলের ঘটনায় ক্ষোভ - মহেশখালীর সব খবর

⬤ আমাদের নতুন ওয়েবসাইটে স্বাগতম। ⬤ আমাদের ওয়েবসাইট www.moheshkhalirsobkhabor.com ⬤ ফেসবুক ফেইজ www.facebook.com/m.sobkhabor ⬤ ইউটিউব চ্যানেল www.YouTube.com/Sobkhabor24x7 ⬤ ফেসবুক গ্রুপ www.facebook.com/groups/m.sobkhabor ⬤

ছোট মহেশখালীতে সাইনবোর্ড দিয়ে কবরস্থান দখলের ঘটনায় ক্ষোভ


সব খবর রিপোর্ট ।।

ছোট মহেশখালীতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে শত বছরের পুরনো কবরস্থান দখল করার ঘটনায় এলাকাবাসীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় যে কোন মুহুর্তে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে ধারণা করছে স্থানীয় জনসাধারণ ৷ কবরস্থান দখলের ঘটনাটি ঘটেছে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর (তেলিপাড়া) গ্রামে।

জানা যায়, আহমদিয়া সুন্নিয়া তৈয়্যবিয়া দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃক মোহাম্মদপুর বাসিন্দারের ব্যবহৃত কবরস্থানটিতে নতুন কবর দেয়া, গাছ কর্তন করা এবং যে কোন ধরণের পরিবর্তন, পরিমার্জন না করার অনুরোধ করে একটি সাইনবোর্ড লাগানো হয়। সাইনবোর্ডে কবরস্থানটি দানপত্র মূলে মাদ্রাসার বলে উল্লেখ করেন।

সরজমিনে দেখা যায়, দানপত্র মূলে খরিদা দাবী করা কবরস্থানটিতে শতবছরের কবরের দেখা মিলে। কবরস্থানের প্রবেশ মুখেই হাতের বাম পাশে ইটের দেয়াল দেয়া একটি পুরনো কবর রয়েছে। এই কবরটি ১৯৮২ সালে ইট দিয়ে দেয়াল দেয়া হয় বলে খুদাই অক্ষরে লিখা আছে। এছাড়াও হাতের বাম পাশে আরো দুটি পুরানো কবরের সন্ধান মিলে। এই দুটি কবর ২০০৫ ও ২০০৯ সালে দেয়া হয় বলে খুদাই অক্ষরে লিখা দেখে জানা যায়। এছাড়াও পুরো কবরস্থান জুড়েই বাঁশের তৈরী ২০/২৫টি কবর দৃশ্যমান আছে।
 
এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই’শ বছরের অধিক সময় ধরে স্থানীয়রা এই কবরস্থানটি ব্যবহার করে আসছে। বিগত এক মাস আগেও স্থানীয় রাজা মিয়ার মৃত্যু হলে এই কবরস্থানে দাফন করা হয়। কিন্তু হঠাৎ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুরানো কবরস্থানটি তাদের দাবী করে সাইনবোর্ড টাঙ্গানোই এলাকাবাসীরদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এলাকার বায়োবৃদ্ধ মুরব্বি হাজী নজর আলী, স্থানীয় দোকানদার মফজল আহমদ জানান মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার শত বছর আগে থেকে কবরস্থানটি নিজেরা ব্যবহার করে আসছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কিভাবে দানপত্র মুলে কবরস্থানের জায়গার মালিক হয়েছেন তা তারা জানেননা। এছাড়াও কবরস্থান দখল করার মত ঘৃণ্যতম কাজে তারা মর্মাহত হয়েছেন।

স্থানীয় আবদুশুক্কুর জানান, তার মা ফরাশ খাতুনকে বিগত ১৯৭০ সালে এই কবরস্থানে দাফন করা হয়ে। এছাড়াও স্থানীয় অপর ব্যক্তি মোঃ সিরাজ বলেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে এই কবরস্থানে কবর খুঁড়ে থাকি। এই পর্যন্ত প্রায় ৬০/৭০টি কবর খুঁড়েছি। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কবর না খুঁড়ার কথা বলে নোটিশ দেয়ায় তিনিও অন্যান্যদের মত ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কবরস্থানে সাইনবোর্ড টাঙ্গানোর কথা স্বীকার করে মাদ্রাসার সুপার ছিদ্দিক আজাদ জানান, কবরস্থানের জমি দানপত্র মুলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মালিক। পরবর্তীতে মাদ্রাসার নামে বিএস খতিয়ান করা হয়। মুলত এলাকাবাসীর সাথে বসে সমন্বয় করার জন্যই সাইনবোর্ডটি টাঙ্গানো হয়েছে।

No comments

Powered by Blogger.