-->
পুলিশকে খবর না দিয়েই শাপলাপুরে অভিযানে যায় বনকর্মীরা

পুলিশকে খবর না দিয়েই শাপলাপুরে অভিযানে যায় বনকর্মীরা

ছবিঃ কাল্পনিক
বিশেষ সংবাদদাতা।।
পুলিশকে কোনো প্রকার খবর না দিয়ে বা পুলিশের সহায়তা না নিয়ে ভোররাতে শাপলাপুরে অভিযান চালায় বন বিভাগের কর্মীরা। এতে শাপলাপুর বিটে কর্মরত মোঃ মমতাজ মিয়া নামের একজন বনকর্মী আহত হয়েছেন। ৩ জুলাই (শুক্রবার) রাত সাড়ে বারোটার দিকে মৌলবিকাটায় এই ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ রাত ৯ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহেশখালী থানায় এ নিয়ে কোনো প্রকার অভিযোগ করেনি বন বিভাগ।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাপলাপুর বিটের মৌলভিকাটায় চোরাই হওয়া পাহাড়ি গর্জন গাছ উদ্ধার করতে যায় বনকর্মীরা। অভিযানে গাছ চোরাকারবারির সাথে জড়িতরা বনকর্মীদের উপর গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হন বনকর্মী মমতাজ আহমদ(৪০) । তাকে চিকিৎসার জন‍্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। তার পা থেকে দুটি বুলেট বের করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই অভিযানের পর দ্বিতীয় দফায় উপজেলা রেঞ্জ অফিসার সুলতানুল আলম চৌধুরী নিজেই বেশ কয়েকজন বনকর্মী সাথে নিয়ে উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে ৮ খণ্ড গর্জন গাছ উদ্ধার করেন।

এই বিষয়ে রেঞ্জ অফিসার সুলতানুল আলম চৌধুরী জানান, ‘দস্যুদল সরকারি বাগান থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সংবাদে বন বিভাগের কর্মীরা অভিযান চালায়। এ সময় দুই পক্ষে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে এক বনকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। টুকরো গর্জন গাছ উদ্ধার করেছি। বাকি গাছগুলো উদ্ধারে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। বনদস‍্যুরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, পাহাড়ি গাছ কাটা এবং গোলাগুলিতে জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

মহেশখালী থানার ওসি দিদারুল ফেরদৌস জানান -খবর পেয়ে পুলিশের একটি ইউনিট ওই এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। ঘটনার সাথে যুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যহত থাকবে। এ বিষয়ে রাত পর্যন্ত বন বিভাগের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি এবং পাহাড়ে অভিযানে যাওয়ার সময় পুলিশের কোন সহযোগীতা নেয়নি।

হাসপাতাল সূত্র জানায় -ভোর রাত ৪টার দিকে বন বিভাগের ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি। পায়ের গোড়ালিতে একটি থেতলানো জখম রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাতে রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান -বন বিভাগের ওই কর্মী ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। ব্যস্ততার কারণে থানায় লিখিত ভাবে জানানো সম্ভব হয়নি।

শিরোনাম ছিলো.. "পুলিশকে খবর না দিয়েই শাপলাপুরে অভিযানে যায় বনকর্মীরা"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel