আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ি-ধলঘাটায় ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন সরকারি সহায়তা - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ি-ধলঘাটায় ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন সরকারি সহায়তা

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন


ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ।। মহেশখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরী করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ তালিকামতে ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন সরকারি সহায়তা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায় -মাতারবাড়ি এলাকায় সর্ম্পুণ বাসগৃহ ক্ষতগ্রিস্ত পরিবার ৫৪টি, আংশকি ক্ষতগ্রিস্ত ৩৯টি, সাধারণ ক্ষতগ্রিস্ত ১৮১টিসহ র্মোট ২৭৪টি পরবিার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অপরদিকে ধলঘাটা এলাকায় সর্ম্পুণ বাসগৃহ ক্ষতগ্রিস্ত পরিবার ২০টি, আংশকি ক্ষতগ্রিস্ত ৩৭টি, সাধারণ ক্ষতগ্রিস্ত ৪৫০টিসহ দুই এলাকা মিলিয়ে মোট ক্ষতির কবলে পড়ে ৭২৪টি পরবিার। এ ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাতারবাড়ির প্রায় ২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। এসব পরিবার তীব্র বাতাসে ভেঙ্গে, জলোচ্ছাসে তলিয়ে যায়।

জানাগেছে -ঘূর্ণিঝড় ইয়াস তান্ডব চালানোর কয়েক দিনের মাথায় মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান একটি তদন্ত দল। পরে ধলঘাটা-মাতারবাড়িতে ক্ষতির কবলে পড়া পরিবারগুলোর তালিকা তৈরী করেন তারা।

সূত্র জানায় -ক্ষতির কবলে পড়া অধিকাংশ ঘরবাড়ি মাতারবাড়ি ইউনিয়নের ষাইটপাড়া, জেলে পাড়া, খন্দার বিল, উত্তর রাজঘাট, দক্ষিণ রাজঘাট,  বানয়িাকাটা ও ধলঘাটা ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল, সুতুরিয়া, খাতুর পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত তালিকাভুক্ত প্রায় ৭ শতাধিক পরিবারের লোকজনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারী যে কোন সহায়তা আসা মাত্র তথ্য অনুসারে বিতরণ করা হবে।

প্রসঙ্গতঃ গত ৩০ মে মাতারবাড়ি-ধলঘাটাসহ উপকূলীয় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। এ সময় পূর্ণবাসন ও ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

No comments

Powered by Blogger.