-->
ভূমিদস্যুদল সক্রিয়, ছোট মহেশখালীতে পাহাড় কেটে উজাড়; প্রশাসনের উদ্যোগ জরুরি

ভূমিদস্যুদল সক্রিয়, ছোট মহেশখালীতে পাহাড় কেটে উজাড়; প্রশাসনের উদ্যোগ জরুরি

গ্রামবাসীর প্রতিরোধ চেষ্টা, উত্তেজনা


রকিয়ত উল্লাহ।।
মহেশখালীতে কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যু নিয়মিত পাহাড় কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে। আর বছরের পর বছর এভাবে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করে আসলেও কার্যতঃ কঠোর প্রাশাসনিক উদ্যোগ না থাকায় দিনকেদিন এ চক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

সূত্র জানায়, গত দু'মাস ধরে রাতের অন্ধকারে  উপজেলার ছোট মহেশখালীর আছদতলী এলাকার পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করে আসছে একটি সিন্ডেকেট। দিনরাত ডাম্পারযোগে মাটি নেওয়ার ফলে ছোট মহেশখালী বড়বিল নামক স্থান থেকে  বড় মহেশখালী দেবাঙ্গাপাড়া দিয়ে নতুন বাজার যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি ভেঙ্গে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এদিকে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক গ্রামীণ অবকাঠামোর মাটির রাস্তা সমূহে কাজ করে এলাকায় উন্নয়ন করে গেলেও ভূমিদূস্যরা পাহাড় থেকে ডাম্পারযোগে অবৈধ ভাবে মাটি বহন করে গ্রামের রাস্তার নাজুক অবস্থা সৃষ্টি করে যাচ্ছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট মহেশখালীর দক্ষিণ নলবিলার জনৈক সরওয়ারের নেতৃত্বে একটি সিন্ডেকেট দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে মাটির বিক্রি করে আসছে। একই ভাবে এ চক্রটি আজ সকালে পাহাড় কেটে মাটি নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা বাঁধা দেয়। এ নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পাহাড়খেকো চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া আচরণ করে প্রভাব খাটিয়ে মাটিভর্তি ডাম্পারগুলো নিয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এভাবে পাহাড় কাটা অব্যহত থাকলে আগামীতে আর পাহাড়ের চিহ্ন থাকবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠা সরওয়ারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি মহেশখালীর সব খবরকে বলেন, "আমি বালি নিয়েছি তবে পাহাড় কাটিনাই। স্থানীয় এক লোক ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা চেয়েছে, তা না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনতেছে।" তিনি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক তারেকুল ইসলাম জানান, জলদস্যুরা আটক হওয়ার সংবাদ শুনি কিন্তু -ভূমিদস্যুরা আটক হয় না কেন? তিনি বলেন -পাহাড়খেকোরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে চলেন কিনা সেটা প্রশ্ন কিন্তু সচেতন মহলের।

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশখালীর সব খবরকে বলেন -পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে কিছু পাহাড়খেকোর বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে। এ বিষয়টি নিয়েও অনুসন্ধান চালিয়ে আইনি উদ্যোগ নেওয়া হবে। -জানান এ কর্মকর্তা।

শিরোনাম ছিলো.. "ভূমিদস্যুদল সক্রিয়, ছোট মহেশখালীতে পাহাড় কেটে উজাড়; প্রশাসনের উদ্যোগ জরুরি"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel