আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ি বেড়িবাঁধ দিয়ে ঢুকে পড়ছে জোয়ারের পানি, অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ি বেড়িবাঁধ দিয়ে ঢুকে পড়ছে জোয়ারের পানি, অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা


রকিয়ত উল্লাহ।
। ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে আবারও পূর্ণিমার জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে তলিয়ে গেল শতাধিক ঘরবাড়ি।  জিও ব্যাগ দিয়ে রক্ষার চেষ্টার করেও সুফল পেল না মহেশখালীর মাতারবাড়ির সাইট পাড়ার বাসিন্দারা। ঘুর্ণিঝড় ইয়াসে ঘরবাড়িসহ সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে খোলা আকাশের নিচে পড়েছিল সাইটপাড়ার প্রায় শতাধিক পরিবার। জীবন সংগ্রামে ঘুরে দাড়ানোর জন্য আবারও  ছোট ছোট ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরে করেছিল। কিন্তু আজ সকালে ভারী বৃষ্টিপাত ও পূর্ণিমার জোয়ারের  কারণে বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা অংশে দিয়ে পানি ঘরে ঢুকার সময় স্থানীয় ছাদেকুর রহমানের বাড়ীতে নির্মাণ কাজ করার সময় ছকি আলম(৪৫) নামে এক মেস্ত্রী আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানা যায়।


এছাড়াও মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশে সুইচগেইট বন্ধ থাকায় পানি নিষ্কাষণের সুযোগ না থাকায় দক্ষিণ রাজঘাট,উত্তর রাজঘাট, সাইরারডেইল অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে পড়ে আছে। রাতে পূর্ণিমার জোয়ার বাড়ার সাথে সাথে লোকালয়ে পানি ঢুকে  আরও  ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহ বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা এসে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বলে টেকসই বেড়িবাঁধের জন্য দাবি জানান।

 সর্বশেষ গত ৫জুন ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মাতারবাড়ি সাইটপাড়া পরিদর্শনে এসে
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেছিলেন, বর্তমান সরকার সমুদ্রের করাল গ্রাস থেকে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জান, মাল সুরক্ষায় বদ্ধ পরিকর। এজন্য সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মহেশখালীর মাতারবাড়ী ও ধলঘাটায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বেড়ীবাঁধ পূণ র্নির্মাণ ও দ্রুত সময়ের মধ্যে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে বলেন। তারপরে পউবোর অধীনে তাৎক্ষণিক ভাবে ভেঙ্গে যাওয়া অংশে নামে মাত্র জিও ব্যগ দিয়ে বেড়িবাঁধ সংস্কার করে দায় শেষ। টেকসই বেড়িবাঁধের কোন কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন মাতারবাড়ি-ধলঘাটার বাসিন্দারা। তারা বলেন, প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানির সাথে লুকোচুরি করে বসবাস করতে হয় ঘরবাড়ি মালামাল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি বারবার। মাথ গুজাবার টাই না থাকায় বারবার বেড়িবাঁধের পাশেি ঘর তৈরি করে থাকতে হয়। আমাদের দুঃখ গোছাবে বলে একমাত্র টেকসই বেড়িবাঁধ।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাফুজুর রহমান জানান, পূর্ণিমার জোয়ারের মাতারবাড়ির বেড়িবাঁধের ভাঙ্গার কিছু অংশে পানিতে ঢুকেছে। তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে ও জানান।

No comments

Powered by Blogger.