আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

কক্সবাজারে ব্যাপক বিক্ষোভ, -মেয়র মুজিবুর রহমানের নামে থানায় মামলা উঠার জের - মহেশখালীর সব খবর

কক্সবাজারে ব্যাপক বিক্ষোভ, -মেয়র মুজিবুর রহমানের নামে থানায় মামলা উঠার জের

কক্সবাজার থেকে সংবাদদাতা।। কক্সবাজারে যুবলীগ নেতা মোনাফ সিকদার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় কক্সবাজারের পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।মামলাটি ৩১ অক্টোবর রোববার বিকেলে কক্সবাজার সদর থানায় দায়ের করা হয়। মারাত্মকভাবে আহত হয়ে ছাত্রলীগের সাবেক ওই নেতা এখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন। মেয়রকে আসামি করার প্রতিবাদে কক্সবাজারে রাস্তায় নেমে এসেছে তার কর্মী-সমর্থকরা। তারা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ভিক্ষোভ দেখাচ্ছে এবং এটি একটি মিথ্যা মামলা বলে দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। এমন বিক্ষোভে কক্সবাজার শহর অনেকটা অচল হয়ে পড়েছে। 

জানা গেছে -গত ২৭ অক্টোবর রাত সাড়ে নয়টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কয়েকজন মুখোশ পরা অস্ত্রধারী তাকে গুলি করলে মোনাফ সিকদার মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন -গত বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুখোশ পরা অস্ত্রধারীরা সুগন্ধা পয়েন্টে তাকে উপর্যুপরি গুলি করে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্বৃত্তদের পাকড়াও করার চেষ্টা চলছে। তবে এ পর্যন্ত এঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

স্থানীয়দের অভিমত সরকারি দলের গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

ঘটনার পর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখাগেছে, মোনাফ সিকদার হাসপাতাল থেকে মেয়র মুজিবুর রহমানের নির্দেশে তাকে গুলা করা হয়েছে বলে জানান।

এদিকে রোববার এই ঘটনায় কক্সবাজার সদর থানায় মেয়র মুজিবুর রহমান সহ ১৩ জনকে করে মামলা রেকর্ড হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে তার কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এ সময় কক্সবাজার শহরের দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়। শহরে শত শত মেয়র সমর্থক প্রতিবাদ মিছিল করে। বিক্ষুদ্ধ জনতা পৌরসভার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। তারা মেয়রের বিরুদ্ধে মামলাকে ষড়যন্ত্রমুলক বলে আখ্যায়িত করে এই মামলা অবিলম্ব প্রত্যাহারের দাবী জানান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ প্রকাশ করছেন।

No comments

Powered by Blogger.