Advertisement


মহেশখালীর হোয়ানকে জমিবিরোধের জের, সৈকত নামের এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ


বার্তা পরিবেশক।। মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলীর পশ্চিমের রেকর্ডিয় ও খাস জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে জানান- এলাকার দু'টি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে হোয়ানকে পশ্চিম অংশে কিছু রেকর্ডিয় ও খাসজমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিগত আওয়ামী সরকারের ক্ষমতা থাকাকালে একটি পক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে রেকর্ডিয় জমিগুলোসহ এসব খাসজমি জোর করে ভোগ করে আসছিল।

আওয়ামী সরকার পতনের পর অপরপক্ষ তাঁদের রেকর্ডিয় জমিগুলো দখলে নিতে গেলে দু'টি পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে একটি পক্ষ আদালতে মামলা করেন।

জানা গেছে- মামলা করার ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত ২৮ মে রাত ১০টার দিকে হোয়ানকের কেরুনতলী বাজারে হামলা-পালটা হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলার জের ধরে কামরুল মোর্শেদ সৈকতসহ ঘটনায় জড়িত নয় এমন অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয় মহেশখালী থানায়। তাদের দাবি- এ মামলাটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। 

এদিকে কামরুল মোর্শেদ সৈকতসহ নিরপরাধ লোকদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন।অবিলম্বে নিরপরাধ এবং ঘটনায় সম্পৃক্ত নয় এমন লোকদের মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য  প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েও মন্তব্য করছেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ।

সৈকত বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। এ বিষয়ে কামরুল মোর্শেদ সৈকত বলেন- "ঘটনার দিন আমি দলীয় কার্যক্রম শেষ করে বাসায় ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়। সেদিনের পৌরসভার চৌরাস্তার মোডের রাত ১০টার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই সে তথ্য পাওয়া যাবে। এলাকার কিছু কুচক্রী লোক আমার সম্মানক্ষুন্ন, সুন্দর রাজনৈতিক পথচলা ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমাকে দূরে সরিয়ে দিতে আমাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলায় জড়িয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই।"

ছাদেকুর রহমান. Contributor