কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক এবং গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী মো. আব্দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও তথ্যে গরমিল থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী সাত প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, হামিদুর রহমান আযাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার তথ্য মনোনয়নপত্রে গোপন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যথাযথভাবে উপস্থাপন না করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই আসনে বৈধ ঘোষিত পাঁচ প্রার্থী হলেন বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিসের ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান বলেন, মনোনয়নপত্রে উল্লিখিত তথ্যে অসংগতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে জেলার দুইটি আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে প্রত্যেক প্রার্থীরই আপিলের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন কক্সবাজার-২ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চতুর্থ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
