নারীর ভিত্তিহীন অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক◾জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সদস্য সচিব সাদিয়া আফরিন এবং এনসিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয় (আলী প্লাজা-২, চকবাজার, চট্টগ্রাম) থেকে পাঠানো এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক) রিদুয়ান হৃদয় স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্রে সংগঠনটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, সানজিদা সুলতানা ইভা নামের এক নারী নিজেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মী দাবি করে গত ১৭ জুন চট্টগ্রামের চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯ জুন একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। উক্ত জিডি ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সাদিয়া আফরিন এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যসাধনের অপচেষ্টা মাত্র। এনসিপি নেতৃবৃন্দের দাবি, এই সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে কাজ করছেন হুজ্জাতুল ইসলাম সাইদ নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগী।

উদ্ভূত পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উদ্যোগে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে এই বিষয়ে যেকোনো ধরনের অনুমাননির্ভর, বিভ্রান্তিকর বা মনগড়া মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপি দেশের প্রচলিত আইন, বিচারব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। যেকোনো অভিযোগ যথাযথ তদন্ত, তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি না হয়।

সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে যে, ন্যায়, সত্য ও আইনের শাসনের প্রতি অবিচল আস্থা রেখেই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে।