প্রধানমন্ত্রীর সফরে মহেশখালী প্রসঙ্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক◾প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে চকরিয়ার বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্ববৃহৎ লবণ উৎপাদনকারী এলাকা মহেশখালীর প্রান্তিক চাষিদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ‘লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ’-এর ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছেন। একই সাথে তিনি দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর দ্রুত চালুর সুনির্দিষ্ট বার্তা দেন এবং মাতারবাড়ি থেকে মাতামুহুরী হয়ে দোহাজারী-পটিয়া পর্যন্ত একটি দীর্ঘ ও প্রশস্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরজুড়ে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে সার্বক্ষণিকভাবে তাঁর সাথে ছিলেন কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
চকরিয়ার মহাসমাবেশ শেষে রাতে কক্সবাজার জেলা শহরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সুধী সমাবেশে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী। উক্ত সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে অত্যন্ত জোরালো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলমগীর ফরিদ। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, লবণের দাম বৃদ্ধি, মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত আলাদা ৬-লেনের সড়ক নির্মাণ এবং দ্রুত মাতারবাড়ি বন্দর চালুর বৈপ্লবিক ঘোষণা দেওয়ায় মহেশখালী ও কুতুবদীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। একই সাথে তিনি দ্বীপবাসীর জীবন-মরণ ও জানমালের সুরক্ষার প্রশ্নে ‘মহেশখালী-কক্সবাজার সেতু’ বাস্তবায়ন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের অতি জরুরি দাবিটি আবারও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে কক্সবাজারের ৩ জন সংসদ সদস্যের উত্থাপিত আঞ্চলিক দাবিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, জেলার প্রতিটি যৌক্তিক দাবি দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় এমপি আলমগীর ফরিদ মহেশখালী সেতুর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করলে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবেই মহেশখালী সেতুর কাজের বর্তমান অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।