বিএনপিপন্থী প্রশাসন। কোন ধরনের ছবি, ফুটেজ, ভিডিও, অডিও, সাক্ষী, প্রমাণ ছাড়া শুধু কথার উপর ভিত্তি করে একটা জিডি গ্রহণ। যেহেতু এনসিপির বিরুদ্ধে।
তারপর সাংবাদিকদেরকে দাও। নিউজ করাও।
আর জানেনই তো পার্টির নাম এনসিপি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দল। আওয়ামীলীগের শত্রু, বিএনপির চক্ষুশূল, পুরো এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে।
সবচেয়ে বেশি পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকা দল। সবচেয়ে বেশি বৈপ্লবিক বয়ান ও রাজনীতির দল।
এই জন্য এনসিপির বিরুদ্ধে নেগেটিভ নিউজ হইলে, আলোর গতিতে ছড়ায়।
পার্টির ইমেজ নষ্ট হয়। আওয়ামীলীগেরা হায়েনার মতো উদযাপন করে। বিএনপি গালমন্দ করে। জামাতও খোঁচা মারে।
কিন্তু দুঃখজনক হলো, পুরো কাজটাই করেছে খোদ এনসিপির নেতারাই। আর কেউ না।
উনারা মনে হয় পদ-পদবী ও স্টেইকের জন্য পার্টির মান ইজ্জত ধূলোয় মিশে দিতে পারে। ১ সেকেন্ডও ভাববে না। উনাদের কাছে এটাই রাজনীতি। এটাই পার্টির প্রতি উনাদের ভালোবাসা।
উনারা যদি এতটুকু বুদ্ধি, এতটুকু পরিশ্রম, এতটুকু প্ল্যান এবং এতোটা ডেডিকেশন দিয়ে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করতেন, সম্ভবত এতদিনে অনেক বড় নেতা হইতে পারতেন।
আজ সামান্য গ্রুপিংয়ের জন্য পুরো পার্টির ইমেজ নষ্ট করে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ একটা স্ক্রিপ্ট ও ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে।ফুটেজ দেখলাম। ফুটেজে কিছু নাই। ভাড়াটে মহিলাটা আসলো শেষের দিকে। ২০-২২ মিনিট ছিলো। ৫ জন মানুষ একসাথে বসে আড্ডা দিচ্ছে। আশেপাশের টেবিলে আরো মানুষ বসে আছে।
শেষের দিকে সবাই সবাইকে বিদায় দিচ্ছিলো। ভাড়াটে মহিলাটাও হেসে হেসে টা টা দিচ্ছিলো।
খাবারের বিল দেখলাম। ক্যাশোনাট সালাদ, পায়া, নান, কপি।
অথচ আজ এইটারে কোথায় নিয়ে গেলো।
এরকম ঘটনা রান্না করতে সবাই পারে। পার্টিকে ভালোবাসে বলে করে না। কারণ ২-৩টা সুবিধাবাদী আগাছা বিদায় করতে গিয়ে, পার্টির বড় ইমেজ নষ্ট করা উচিত না। এতটুকু সেন্স সবার আছে।
এসব সুবিধাবাদী আগাছা দল থেকে নির্মূল করা উচিত। এগুলো রাখলে পার্টির লাভের চেয়ে ক্ষতি অনেকগুন বেশি। যাঁরা নিজের পদ-পদবীর জন্য পার্টির ইমেজ নষ্ট করতে ২ মিনিটও ভাবে না।


