এমপি আলমগীর ফরিদের প্রচেষ্টায় ১০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে মহেশখালী হাসপাতাল

শুরু হয়েছে ডিজিটাল সার্ভে, পরিদর্শনে গণপূর্তের প্রতিনিধিদল

ফারুক ইকবাল◾অবহেলিত দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীবাসীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক সুখবর। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের নিরলস প্রচেষ্টায় অবশেষে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হতে যাচ্ছে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

হাসপাতালটির আধুনিকায়ন ও সার্বিক অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে (১১ জুন) থেকে শুরু হয়েছে ডিজিটাল সার্ভে কার্যক্রম।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৯ মার্চ কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের পাঠানো একটি আধা-সরকারি পত্রের (ডিও লেটার) প্রেক্ষিতে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। মূলত সংসদ সদস্যের এই সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের সুফলই এখন পেতে যাচ্ছেন দ্বীপ অঞ্চলের লাখো মানুষ।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ গণপূর্ত বিভাগের একজন প্রকৌশলীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি কারিগরি প্রতিনিধিদল হাসপাতাল এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হাসপাতালের বর্তমান সীমানা, খালি জায়গা এবং নতুন বহুতল ভবন নির্মাণের উপযোগিতা খতিয়ে দেখেন। অবকাঠামোগত নকশা ও পরিমাপ নিখুঁত করার লক্ষ্যে শুরু হওয়া এই ডিজিটাল সার্ভে কার্যক্রম আগামী দুই দিনব্যাপী চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, দ্বীপের ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে মহেশখালীর প্রান্তিক মানুষকে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়ত চকরিয়া কিংবা কক্সবাজার জেলা সদরে ছুটে যেতে হয়। এতে অনেক সময় পথেই রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত হলে আধুনিক চিকিৎসাসেবা, পর্যাপ্ত শয্যা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যা এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের মোড় পরিবর্তন আনবে।

সচেতন মহলের মতে, ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভবনের নকশা (ডিজাইন) ও প্রাক্কলন (এস্টিমেট) চূড়ান্ত করে মূল নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নত চিকিৎসা এখন ঘরের দুয়ারে মিলবে।