বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার এই স্বর্ণ সময়ে এসে পৃথিবী এগুচ্ছে থর থর করে। চন্দ্র থেকে মঙ্গল, সমুদ্র হতে জঙ্গল, মানুষের অবাধ বিচরণ আজ। আশ্চর্য সৃষ্টিশৈলি, মেধা, প্রজ্ঞা এবং স্পর্ধার আকাশ ছোঁয়া আস্ফালন পৃথিবীকে এনেছে হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তিগত পৃথিবীর প্রান্তিক প্রচলন প্রাণের সঞ্চার করেছে প্রাণ থকে প্রাণে!

এগিয়ে যাওয়ার এই দৌড়ে আমরাও ভাবি - রেসে আমাদের অস্তিত্ব বিদ্যমান" কিন্তু- হতাশ হই। চরম ভাবে মনোক্ষুন্ন হয়! যখন মানুষ সহস্র মাইলের দূরত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিমিষেই পৌঁছে যায় গন্তব্যে। সাগর বিদ্যার সকল আভিধানিক বিষয়গগুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে যখন নটিক্যাল মাইলের দূরত্বকে দৃষ্টি সীমায় নিয়ে আসে কোন মানব সন্তান।

অন্যদিকে এমনতর একটা সময়ে এসে আমাদের মহেশখালী বাসিকে চিন্তা করতে হয় জোয়ার- ভাটার হিসেব! তক্তার জেটিতে পা পিছলে যাওয়ার ভয়! কাদা ছিটকে গায়ে লাগার যন্ত্রণা। সন্ধ্যার আগে ট্রলার ধরার তাড়না, স্পীড-বোট ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হওয়ার আগাম ভীতি!

কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান,পূজা-পার্বণে বাড়িতে আসার সময় দেখা যায় জেটি ইজারাদারদের পাশবিক ব্যবহার, বিশৃঙ্খল ভাবে হুমড়ি খেয়ে মুড়ি মুড়কির মত একজন আরেকজনের উপর লেপটে পড়ার দৃশ্য। হুম! এসবই আমাদের চিন্তার কারণ।


সম্প্রতি মহেশখালীকে পৃথিবীর এই অংশের আগামীর সিঙ্গাপুর বলা হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে স্বপ্ন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ছবির সেতু দেখুন আর আমার ডিজিটাল মহেশখালী এবং পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের তক্তার জেটিগুলো তুলনা করুন!

বুঝতে কষ্ট হবেনা! আমরা সিঙ্গাপুরের কোন অংশটাতে আছি। আশাকরি, "মহেশখালী জেটি" নামক ভয়ংকর এই নরক যন্ত্রণা থেকে জনগণকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ছবিতে প্রদত্ত এরকম একটা ব্রিজের চিন্তা এবং তড়িৎ বাস্তবায়ন দেখতে চায় দ্বীপবাসী।

শেয়ার:

মন্তব্য দিন: