আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

করোনা থেকে নতুন রোগ - মহেশখালীর সব খবর

⬤ আমাদের নতুন ওয়েবসাইটে স্বাগতম। ⬤ আমাদের ওয়েবসাইট www.moheshkhalirsobkhabor.com ⬤ ফেসবুক ফেইজ www.facebook.com/m.sobkhabor ⬤ ইউটিউব চ্যানেল www.YouTube.com/Sobkhabor24x7 ⬤ ফেসবুক গ্রুপ www.facebook.com/groups/m.sobkhabor ⬤

করোনা থেকে নতুন রোগ


ডা. আরেফিন খান 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ এ ভাইরাস শ্বাসনালি দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে। ফলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। আর আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার পরও ফুসফুসের রোগ দেখা দিতে পারে।

ফুসফুসের এই নতুন রোগের কথা বলছেন চিকিৎসকরা। করোনা ভালো হওয়ার পর ফুসফুসে পালমোনারি ফাইব্রোসিস নামে একটি রোগ দেখা দিতে পারে। এই রোগ সহজে ভালো হয় না। আর এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগী অনেক দিন ভুগে থাকেন।

এই রোগ হলে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও দুর্বলতার সমস্যায় ভুগতে পারে। বিশ্বের পালমোনোলজিস্টরা এ অবস্থা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। তাদের দাবি, যে ব্যক্তি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে তিনি ফের শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

এখন প্রশ্ন হলো– পালমোনারি ফাইব্রোসিস আসলে কী?

পালমোনারি ফাইব্রোসিস

পালমোনারি ফাইব্রোসিস হলো এক ধরনের ফুসফুসের রোগ। ফলে ফুসফুসের নরম অংশগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং সেখানে এক ধরনের ক্ষত সৃষ্টি হয়। এই ক্ষত রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে শ্বাসকষ্ট হয়। এতে ফুসফুসের টিস্যুগুলো মোটা ও শক্ত হয়ে যায়। ফলে ফুসফুসে থাকা বায়ুথলিগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না।

কাদের ঝুঁকি বেশি

যেসব রোগী কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন, তার পরও তারা কীভাবে পালমোনারি ফাইব্রোসিস দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তার প্রকৃত কারণ এখনও অস্পষ্ট। যাদের আগে থেকেই ফুসফুসের রোগ রয়েছে, তাদের পালমোনারি ফাইব্রোসিস মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এ ছাড়া পুরুষদের ক্ষেত্রে এই রোগের ঝুঁকি বেশি। ৪০-৭০ বছর বয়সী মানুষের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

লক্ষণ

শ্বাসকষ্ট, অবসাদ, দুর্বলতা, শুকনো কাশি, বুকের চারদিকে অস্বস্তি, পেশি ব্যথাও নখের ক্লাবিং।

চিকিৎসা

সিটিস্ক্যান করালে এই রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। এই রোগ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফুসফুসে ক্ষত সারানোর ওষুধ খেতে হবে।


লেখক:

বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।


No comments

Powered by Blogger.