-->
সরকারি ঘর দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ কালারমারছড়া’র এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

সরকারি ঘর দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ কালারমারছড়া’র এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

রকিয়ত উল্লাহ::

মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নে প্রকল্পের বরাদ্দ না থাকলেও ঘর দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়,জমি আছে ঘর নেই'- এই আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থায়নে তৃণমূল পর্যায়ের জমি আছে অথচ ঘর নির্মাণ করতে পারছে না, এমন অতি দরিদ্র পরিবারের জন্য বিনামূল্যে সরকার ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। তার আশায় ইউপি সদস্যের প্ররোচণায় পড়ে মাথা গোজার টাই হিসাবে একটি ঘর পাওয়ার জন্য ঋণ করে টাকা দেন অতি হত দরিদ্র ভূক্তভোগী পরিবার গুলো। 

ভুক্তভোগী রেহানা বেগম জানান, শরীফ মেম্বার আমাকে ঘর দেওয়ার কথা বলে ১৮ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি এখনও কোনো ঘর পাইনি। ফকিরা ঘোনা গ্রামে মরিয়ম বলেন, ঘর পেতে শরীফ মেম্বারকে আমি ১৫ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু আমি এখনও ঘর পাইনি। 

এদিকে উপজেলা প্রকল্প কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, আর এই প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ঘর নির্মাণের কাজের প্রকল্প নাই বর্তমানে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কালারমারছড়া ইউপি সদস্য শরীফের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান ঘর দেওয়ার নামে আমি কারও থেকে টাকা নেইনি। 

এবিষয়ে কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফের সাথে মুটোফোনে একাধিক বার কল করলে রিসিভ না করায় বক্ত্যব নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বলেন, ওই ইউনিয়নে 'জমি আছে ঘর নাই' এই প্রকল্পের কোনো বরাদ্দ এখনও আসেনি। আগামীতেও আসবে কিনা তা আমার জানা নেই।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিরোনাম ছিলো.. "সরকারি ঘর দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ কালারমারছড়া’র এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel