আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মাতারবাড়ির ইউপি সচিব মোহাম্মদ রশিদ এর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা - মহেশখালীর সব খবর

মাতারবাড়ির ইউপি সচিব মোহাম্মদ রশিদ এর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা


গতকাল কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকায় মাতারবাড়ির ইউপি সচিব মোহাম্মদ রশিদ এর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়ে একটি প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছেন সচিব মোহাম্মদ রশিদ। এতে তিনি প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। নিচে প্রতিবাদলিপিটি হুবহু প্রকাশ করা হলোঃ

গত ১১-০৮-২০২১ তারিখ রোজ বুধবার কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা,  দৈনিক ইনানীসহ অন্যান্য পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোধিত । অনেকটা উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ের মতো অবস্থা। আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদটির জবাব/প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নিচে উল্লেখ করা হলো-

সংবাদের শুরুতে বলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। অথচ আমার বিরুদ্ধে উত্থাপনযোগ্য কোন অভিযোগই নেই। আমি নাকি চেয়ারম্যান সদস্যদের মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করি। মূলতঃ সদস্যগণ সম্মানী ভাতা দাবি করলে উনার সাথে সদস্যদের মাঝে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। বলেছেন জন্ম নিবন্ধনের ফি’র বিষয়ে। স্টাফগণ ফি কালেকশন করে ১০৫,০০০/-টাকা আমাকে দিয়েছিলেন, যা সরাসরি সংশ্লিষ্ট তহবিলের হিসাব নম্বরে এ জমা করেছি। কিন্তু অবশিষ্ট টাকা উনার হাতে জমা আছে। যার পরিমাণ ১৯১,৮২৫/- টাকারও বেশি। অশালীন ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন। কার সাথে অশালীন ব্যহার করেছি তার কোন ভিত্তি নেই। রাজনৈতিক ও আর্থিক সুবিধা নেয়ার বিষয় উল্লেখ করেছেন। এর জবাব হচ্ছে, রাজনীতিতো প্রশ্নই উঠে না। আর আর্থিক সুবিধা কার কাছ থেকে নিয়েছি প্রমাণ করুন মহোদয়। সরকারী কর্মচারী হিসেবে সরকারী কাজের গুরুত্ব না দেওয়ার সুযোগ নেই। করোনাকালীন বন্ধের সময়ও প্রায় প্রতিদিন করোনা রোগীর বাড়ি লকডাউন ও ত্রাণ কাজে অংশ গ্রহণ করেছি। বলেছেন, পাহাড়সম অভিযোগ। পাহাড়সম অভিযোগ কী? তা আসলেই অভিযোগকারীই জানেন না।

করোনাকালীন লকডাউন বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারী বেসরকারী সকল অফিস বন্ধ ছিল। এরপরও অফিস কামাই করিনি একদিনও। আর, নাগরিক সুবিধা প্রদান করার জন্য সকাল সন্ধ্যা অফিস করি। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কথা বলেছেন, যা হাস্যকর ও অগ্রহণযোগ্য। আমি তো রাজনীতি করি না, সেখানে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আসবে কোত্থেকে? কোন ইউপি সদস্যের সাথে অশালীন ব্যবহার করিনি। করে থাকলে কার সাথে অশালীন ব্যবহার করেছি স্পষ্ট করার জন্য অনুরোধ রইল।

সভা দেরিতে অনুষ্ঠিত হলে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়।  এজন্য দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে। উদ্যোক্তার প্রসঙ্গ উঠেছে, যার মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ  ও নানাবিধ প্রত্যয়ন প্রদান করা হয়। তাহলে, অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগ আমার উপর কেন? উনার প্রতিপক্ষের ইশারায় কোন কাজটি করেছি? তা জানালে উপকৃত হতাম।

অভিযোগকারীকে আমি ভিত্তিহীন অভিযোগ না করার জন্য অনুরোধ করেছিলাম।  আর বদলী হচ্ছে চাকুরী জীবনের অংশ। সরকার আমাকে বদলী করলে আমি খুশি হবো। আমার বিরুদ্ধে যদি কারো আপত্তি থাকে তাহলে তা সুস্পষ্ট করলে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো।

কোনো স্পষ্ট তথ্য ছাড়া আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত মানহানিকর এমন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, একই সাথে সাংবাদিক ভাইদেরকে আগামীতে এহেন যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

অবশেষে সকলের মঙ্গল কামনায়ঃ

আমি মোহাম্মদ রশিদ, ইউপি সচিব, মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ।

No comments

Powered by Blogger.