আমরা মহেশখালীর কথা বলি..

মহেশখালীতে মৃত মহিষের মাংস বিক্রির দায়ে পিতা পুত্রকে দণ্ড - মহেশখালীর সব খবর

মহেশখালীতে মৃত মহিষের মাংস বিক্রির দায়ে পিতা পুত্রকে দণ্ড


ইসরাত মোহাম্মদ শাহজাহান।। 
কক্সবাজারের মহেশখালীতে মরা মহিষের মাংস বিক্রি করার সময় পিতা-পূত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে ভ্রামমাণ আদালত পরিচালনা করে  দু'জনকে ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে নির্বাহী  ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।  


জানা গেছে, ৭ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে ১০ টায় বড় মহেশখালী নতুন বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা এলাকার হাজী সাহেব মিয়া পুত্র মনজুর ও তার পুত্র নুর হাসেম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুতুবজোম তাজিয়াকাটা এলাকার জৈনক আলী আকবর এর মালিকানাধীন একটি মহিষ ৭ ডিসেম্বর ভোরে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এ সময় তার রাখাল গফুর মিয়াকে মৃত মহিষটি দূরে কোথাও নিয়ে মাটিতে ফুতে ফেলার জন্য বলেন।

পরে রাখাল গফুর মৃত মহিষটি মাটিচাপা দিতে নিয়ে গিয়ে ওই এলাকার তাজিয়াকাটা গ্রামের হাজী সাহেব মিয়া পুত্র মনজুর ও তার পুত্র নুর হাসেম থেকে ২০ হাজার টাকায় মৃত মহিষটি বিক্রি করে দেয়। পরে তা বড় মহেশখালীর ব্যস্ততম নতুন বাজারে এনে কেটে তাজা রক্ত মেখে মাংস হিসেবে বিক্রির করে আসছিল। এসময় স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টা টের পেলে বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত উল্লাহ বাবুলকে জানান। পরে তিনি এসে মরা মহিষের মাংস বিক্রির বিষয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তার সন্দেহ হয়। পরে তিনি বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। এ সময় পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করেন এবং মৃত মহিষটির প্রায় দুই'শ কেজি মাংস জব্দ করেন।

পরে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করে দু'জকে ১ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা এসিল্যান্ড সাইফুল ইসলাম জানান, মরা মহিষের মাংস বিক্রির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই জনকে আটক করেন পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

সম্পাদনাঃ রকিয়ত উল্লাহ।

#####
ম‌হেশখালী‌তে মৃত ম‌হিষ‌রে মাংষ বিক্রয়কা‌লে পিতা পুত্র আটক-৮কসাই পলাতক।

ম‌হেশখালী উপ‌জেলার বড় ম‌হেশখালী‌ নতুন বাজার মাঠ থেকে মৃত ম‌হি‌ষের মাংশ বিক্রয়কা‌লে ২জনকে আটক করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ।
আটককৃত ২জন পিতা পুত্র তাদের বাড়ী কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা গ্রামে। ঘটনা‌‌টি ঘ‌টে‌ছে ৭ ডি‌সেম্বর সকাল ৯ টায় বড় ম‌হেশখালী নতুন বাজা‌‌‌রে।
বড় মহেশখালীর ইউপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত উল্লাহ বাবুলের  সহায়তায় নতুন বাজার থেকে বিক্রয় কালে মৃত ম‌হি‌ষের মাংশ জব্দ ক‌রে এসময় ঘটনাস্থল থেকে ২জনকে আটক করে পুলিশ কে সংবাদ দেয় স্থানীয় জনতা।
ঘটনাসুত্রের বর্ননা মতে, কুতুবজোম নয়াপাড়া গ্রামের জৈনক  আলী আকবর এর মালিকানাধীন প্রায় ১লক্ষ টাকা মূল্যর একটি মহিষ দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। নানান চিকিৎসার পর ও মহিষটি ৭ডিসেম্বর ভোর রাতে নয়া পাড়া গ্রামে গোয়াল ঘরে মৃত হয়।
মহিষের মালিক তাদের রাখাল গফুর কে মৃত মহিষটি মাঠিতে ফুতে পেলার জন্য  নির্দেশ দিলে সে তাজিয়াকাটা গ্রামের হাজী সাহেব মিয়া পুত্র মনজুর ও তার পুত্র নুর হাসেম থেকে ২০হাজার টাকায় মৃত মহিষটি বিক্রয় করে। মনজুর ও হাসেম ৩হাজার টাকা লাভে মহিষটি কাটা ছেড়া করে নতুন বাজার সাতঘরিয়া পাড়ার সলিম উল্লাহ, আয়াত উল্লাহ,আনচার ও শাহা আলম সহ আরো ৮ জনের নিকট বিক্রয় করে। তারা যৌথ ভাবে নতুন বাজার মাঠে মৃত মহিষের মাংশ বিক্রয়ের গুনজন শুরু হলে মহিষের মালিক আলী আকবর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত মহিষের মাংষ বিক্রয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে। এ সময় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
  উ‌ত্তে‌‌জিত জনতা মাংশ বি‌ক্রেতা‌দের উপর ক্ষে‌পে গি‌য়ে মাংশ বি‌ক্রেতা মনজুর আহমদ ও নুর হা‌সেম‌কে আটক ক‌রলেও  ঘটনার সা‌থে জ‌ড়িত বেশকজন পা‌লি‌‌য়ে যায়।
 ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সহায়তায়   জব্দ কৃত মৃত মহিষের মাংষ,হাড় মা‌টি‌তে পু‌‌তে ফেলা হয়।
ম‌হেশখালী থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল হাই জানান, মৃত ম‌হি‌ষের মাংশ বিক্রয় করার সময় ২জন‌কে গ্রেফতার তরা হ‌য়ে‌ছে। তা‌দের বিরু‌দ্ধে আইনগত  ব‌্যবস্থার প্রস্তু‌তি চ‌লে‌ছে।

No comments

Powered by Blogger.