স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া এই কাজকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মাতারবাড়ির পশ্চিমের বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধের একাধিক অংশ ভাঙন ও ক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বর্ষা মৌসুমে এসব অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এতে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, কৃষিজমি, মাছের ঘের ও স্থানীয় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, সময়মতো সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনদুর্ভোগ ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমে আসবে।
সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজবাহ উদ্দীন মজিদী। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে মাতারবাড়ীর পশ্চিমের বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ দুর্বল হয়ে পড়লেও কার্যকর সংস্কারের অভাবে তারা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ারের সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠত। এবার বর্ষার আগে সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
এদিকে, এই জরুরি সংস্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ-এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, এমপির আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে, যা উপকূলীয় জনপদের হাজারো মানুষের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, চলমান কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রতি বর্ষা মৌসুমে ভাঙন ও জলাবদ্ধতার আতঙ্কে থাকতে না হয়।

