আমার একমাত্র কন্যা দীপাঞ্জলি গত ৬ অক্টোবর অসাবধানের আগুনে দগ্ধ হলে তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমি করুণ অভিজ্ঞতার মুখে পড়ি। এ নিয়ে সম্প্রতি আমি ফেইসবুকে একটি  স্ট্যাটাস দিয়ে উপর্যুক্ত দাবি তুলেছিলাম। কেননা উচ্চমূল্যের বেসরকারি চিকিৎসায় আমার কন্যা সুস্থ হলেও বহু মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করছে। অনেকেই ভুল বা অপচিকিৎসায় পঙ্গু হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। অনেক গৃহে নেমে এসেছে অসচ্ছলতার অন্ধকার।
#
তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছি, অচিরেই এই হাসপাতালে বার্ন  ইউনিট স্থাপনের জন্যে। আমার দাবির সমর্থনে জনস্বার্থে এগিয়ে এসেছেন সাংবাদিকবৃন্দ। গত ২২ অক্টোবর দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক সকালের খবর, পূর্বকোণ ও মহেশখালীর সব খবর আমার স্ট্যাটাসকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণকরে এবং সংবাদ প্রকাশ করে। জনগুরুত্বপূর্ণ  ও স্পর্শকাতর  একটি বিষয়ে দায়িত্বশীল প্রতিবেদন প্রকাশ করাতে আমি তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা বোধ করছি। তাঁদেরকে আন্তরিক  ধন্যবাদ জানাই।
#
এ দাবীর বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে সিভিল সার্জন ডা. পুচুনু দ্রুত বার্ন ইউনিট বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই আশ্বাস 'আশ্বাস'ই রয়ে গেল। আশ্বাস আর আলোর মুখ দেখেনি। আর কত মানুষ আগুনে পুড়ে মরলে, আর কত মানুষ অবর্ণনীয় ব্যথায় কাৎরালে, আর কত মানুষ অপ চিকিৎসায় পঙ্গু হলে, আর কত পরিবারে আঁধার ঘনালে আমলাতন্ত্রের টনক নড়বে?
#
আমি চিৎকার করে বলছি: অচিরেই জনস্বার্থে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বার্ন ইউনিট চাই।

- প্রিয়তোষ বেদজ্ঞ
বড় মহেশখালী।
শেয়ার:

মন্তব্য দিন: