-->
মহেশখালীতে ঈদের আমেজে কামারের চোখে কান্না ::

মহেশখালীতে ঈদের আমেজে কামারের চোখে কান্না ::

রকিয়ত উল্লাহ, উত্তর মহেশখালী ।।
কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে মহেশখালীতে কামারদের টুং টাং শব্দে ব্যস্ত সময় কাটলেও আগের তুলনায় ঈদের আমেজ নেই । উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কর্মকারদের সাথে কথা বলে জানাযায় , ঈদুল আযহা এলেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে গত বছরের তুলনায় এখন করোনার প্রভাবে কাজ অনেকটাই কমে গেছে । সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১০ টার সময় মহেশখালীর কামার পল্লী ঘুরে দেখা যায়, কেউ তৈরি করছে দা, কেউ বা তৈরি করছে চাপাতি আবার কেউ কেউ তৈরি করছে ছুরি। আবার কেউ পুরাতনগুলোর শান দিচ্ছেন। কালারমারছড়া বাজারের কামাররা জানান, তাদের এ কাজে কয়লার চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বর্তমানে কয়লা পাওয়া খুবই কঠিন। তাছাড়া দামও বেশি। পাশাপাশি লোহার দামও বেশি। সরকার সুলভ মূল্যে কাচাঁমাল কেনার নীতিমালা সহ আর্থিক সহযোগীতায় ঋণের ব্যবস্থা করে দিলে ব্যবসায়ীক ভাবে সফলতার মুখ দেখা যেত। । উপজেলার গোরকঘাটা বাজারের কামাররা জানান, নতুন চাপাতি ১০০০টাকা থেকে ১২০০টাকা, দা ৫০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা, চাকু ৭০ টাকা, ১০০ টাকা থেকে ১২০টাকা, খুন্তি ৪০ টাকা, শাবল ১৫০থেকে ২০০, হাতা ৫০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি। 

তিনি আরো জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমাদের ব্যবসা এখন খুব ভালো চলছে ও আগের তুলনায় লাভ খুবই কম। এ ঈদকে সামনে রেখে আমরা মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করে থাকি এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থে আমরা সারা বছর সংসার চালাই। তাই এখন সারাদিন সারারাত ধরে আমরা পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এতে আমাদের উপার্জনও মোটামুটি ভালই হচ্ছে। কিন্তু এবার লাভের মূখ দেখব কিনা সন্দিহান। উপজেলার কালারমারছড়া বাজারের এক কর্মকার জানান, নতুনের চাইতে তারা পুরানো দা ছুরি শান দিয়ে নতুন করে তোলার কাজে বেশি আগ্রহ নিয়ে এখন ভিড় জমাচ্ছেন কামারের দোকানে। এ সময় দোকানে দা, বটি শান দিতে আসা শিমুল জানান, কামারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন মূল্য তালিকা না থাকার কারণে তারা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছে। মহেশখালী বিভিন্ন দোকানে কর্মরত কর্মকাররা জানান, অন্যান্য পেশার মতো আমাদের কোন সংগঠন না থাকায় আমরাও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছি।

শিরোনাম ছিলো.. "মহেশখালীতে ঈদের আমেজে কামারের চোখে কান্না ::"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel