-->
সামগ্রিক উন্নয়নে দ্রুত বদলে যাবে মহেশখালীর চেহারা -স্থানীয় সরকার সচিব

সামগ্রিক উন্নয়নে দ্রুত বদলে যাবে মহেশখালীর চেহারা -স্থানীয় সরকার সচিব


কাব্য সৌরভ।। বর্তমানে কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপটি পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিতি পেলেও আগামীতে এই দ্বীপ নতুন সিঙ্গাপুর হিসেবেই খ্যাতি পাবে। উন্নয়নশীল বাংলাদেশের মূল প্রচ্ছদ হিসেবে প্রকাশ পাবে এ দ্বীপ। সরকারের সুনজরে থাকা এই দ্বীপ নিয়ে সাধারণ মানুষের চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। মহেশখালীর মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনজর ও আলাদা সুদৃষ্টি রয়েছে। ১৬ জানুয়ারি (শনিবার) মহেশখালীতে এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব হেলালুদ্দীন আরও বলেন -বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যা ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। সরকারের গুরুত্বপুর্ণ মেগা প্রকল্পগুলো মহেশখালী দ্বীপেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। দ্রুততর সময়ে মহেশখালীতে আরো একটি আধুনিক জেটি হবে, আধুনিক মানের টেকসই সড়ক ও ৪টি স্কুল হবে তার সাথে খুব শিগগিরই সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এতে ব্যয় হবে ১২৩ কোটি টাকা। এছাড়াও জাপানের উন্নয়ন সংস্থার জ্যাইকার অর্থায়নে ২'শ কোটি টাকার উন্নয়ন চলমান রয়েছে মহেশখালী উপজেলায়। 

দুপুরে মহেশখালী মাতারবাড়ির অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ ।

মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হল রুমে শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় কক্সবাজার-২ আসনের এমপি আশেক উল্লাহ রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমির পরিচালক ও সিনিয়র সচিব আবুল কাসেম, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শরীফ বাদশা, মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম.আজিজুর রহমান, কালারমার ছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ, কুতুবজোমের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকন, ধলঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, মাতারবাড়ির মোহাম্মদ উল্লাহ, শাপলাপুরের চেয়ারম্যান এড. আবদুল খালেক চৌধুরী, মাতারবাড়ি আওয়ামী লীগ সভাপতি জি.এম ছমি উদ্দীন ও মুক্তিযোদ্ধা সালেহ আহমেদ। 

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা সুবজ কুমার দে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মর্কতা রাশেদুল ইসলামসহ মহেশখালী উপজেলার কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। মতবিনিময় সভা শেষে মহেশখালী উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার দুস্থ অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

পরে তিনি মহেশখালী পৌরসভার আয়োজনে এক নাগরিক সমাবেশ ও উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় যোগ দেন। পৌরসভাস্থ অহনা কনভেনশান হলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে  মহেশাখালী পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণী থেকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত হওয়ায় মহেশখালী পৌরসভার আয়োজনে সিনিয়র সচিবসহ নেতৃবৃন্দকে এক নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পৌর মেয়র মকছুদ মিয়ার সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা প্রণব কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি। সংবর্ধিত অতিথি’র বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র সচিব আবুল কাসেম বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবজার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফাসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দরা।

শিরোনাম ছিলো.. "সামগ্রিক উন্নয়নে দ্রুত বদলে যাবে মহেশখালীর চেহারা -স্থানীয় সরকার সচিব"

Post a Comment

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel