স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আহসান উল্লাহর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন- সোহেল রানা, আজাহার উদ্দিন মিরান, জসিম উদ্দিন, দিদারুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তারা প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন মোশাররফ হোসেন, রকি ও জিহাদ। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ ক্লিনিকে নিয়ে গেলেও আঘাত গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাদের দ্রুত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীদের স্বজনরা এই ঘটনায় চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২দিন আগে কথাকাটাটির জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়, পরে স্থানীয়রা বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা চালায়। পরে আজ একা পেয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে হামলা করে।
হামলার ঘটনার পর থেকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় এমন সহিংসতা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় হুমকি।
