নিচের ভিড়িওতে ক্লিক করে প্রধানমন্ত্রী ও কক্সবাজারের ৪ এমপি প্রার্থী সম্পূর্ণ বক্তব্য দেখুন।

হারুনুর রশিদ/সৈয়দ মোজতবা আলী ।। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডঃ সিরাজুল মোস্তফা বলেছেন, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে আশেক উল্লাহ রফিক’র মত একজন পরিচ্ছন্ন নেতাকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়ে এই দুই উপজেলার ৫ লাখ মানুষকে ধন্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিগত ৫ বছরে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় যে অভুতপুর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা দৃষ্ঠান্ত হয়ে থাকবে। তাই এলাকার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ৩০ ডিসেম্বর নৌকায় ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মহেশখালী বঙ্গবন্ধু সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গনে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এ কথা বলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, এখন মহেশখালীর আলোয় আলোখিত হবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলাকে ঘিরে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন তা বাস্তবায়ন হলে এই দুইটি উপজেলা সিঙ্গাপুরে পরিণত হবে। ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন আর কোন দলাদলি নয়, নৌকা প্রতীক শেখ হাসিনার। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, ইতোমধ্যে লবণ আমদানি বন্ধ করে লবণের ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত করেছি। মহেশখালীতে উৎপাদিত মিষ্টিপান বিদেশে রপ্তানী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় মিষ্টিপানের ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত হয়েছে। কয়লা বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহনকৃত জমির ক্ষতিপুরণ বৃদ্ধি করতে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়ায় ক্ষতিপুরণের টাকা বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনো দেশের জনগনের ক্ষতি হয় এমন কাজ করেন না। তাই তিনিই এখন দেশের খেটে-খাওয়া মানুষের এক মাত্র আশ্রয় স্থল। তিনি আরো বলেন, দেশ এখন দুইভাগে বিভক্ত। এক পক্ষ দেশেকে লুটপাটের স্বর্গ রাজ্য বানাতে চায় আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করতে চান। ইতোমধ্যে মহেশখালীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন জোট সরকারের সময়ে শুধু খাম্বা দেওয়া হয়েছিল বিদ্যুৎ দিতে পারে নি। তাই নৌকার বিজয় নিশ্চিত করুন আগামিতে আরো উন্নয়ন হবে।
শাহেদ মিজান ।। কক্সবাজার-২ আসনের ২৩ দলীয় জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের প্রার্থীতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। ব্যারিস্টার মিজানুর রহমান চৌধুরী নামে সুপ্রীম কোর্টের এক আইনজীবি গত ৬ ডিসেম্বর এই রীট পিটিশন দায়ের করেন। যার নং- ১৫৫৪৭। এই পিটিশনে নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়েছে।
সূত্র মতে, ২০১৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতাদের বিচার চলাকালে মতিঝিলে দলের এক সমাবেশে আদালত অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগ আনা হয় হামিদ আযাদের বিরুদ্ধে। একই বছরের ৯ জুন আদালত তাকে তিন মাসের কারাদন্ড এবং তিন হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই সপ্তাহের জেল দেন। সেই থেকে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২৫ জুলাই আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। সেই থেকে কারান্তরীণ রয়েছেন। কারান্তরীণ থাকলেও তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন।
আইনজীবীর পাঠানো পত্র।

হামিদ আযাদের বিরুদ্ধে রীটকারী ব্যরিস্টার মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘হামিদ আযাদ সাজাপ্রাপ্ত আসামী হওয়ায় তিনি নির্বাচনের জন্য যোগ্য নয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর মনোনয়ন বৈধ করেছে। তাই নির্বাচনে হামিদ আযাদের প্রার্থীতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনকে বাদী করে রীট পিটিশনটি দায়ের করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘রিট পিটিশনটি শুনানী জন্য আদালতের কার্যতালিকায় রয়েছে। আগামীকাল রোববার (৯ ডিসেম্বর) তা শুনানী হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করি শুনানীতে আদালত হামিদ আযাদের প্রার্থীতা বাতিল করতে নির্দেশ দেবেন।’

সিবিএন

[ বিষয়টি নিয়ে আমরা জামায়াত ও বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতা ও আইন বিশ্লেষকদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। বিস্তারিত প্রতিবেদন আসছে www.sobkhabor24x7.com এ। আমাদের ফেসবুক পেইজ ‍Sobkhabor24x7 এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন। ] 

কক্সবাজার সময়।। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত পেশাদার সাংবাদিক, দৈনিক সকালের কক্সবাজার ও কক্সবাজার নিউজ ডটকম এর চীফ রিপোর্টার এবং নিউজএইজ এর প্রতিনিনিধি শাহেদ মিজানকে লাঞ্ছিত করেছেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কয়েকটি নাশকতার মামলার আসামী সাইফুর রহমান নয়ন। রোববার সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কার্যালয় চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় কক্সবাজারের সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

লাঞ্ছনার শিকার শাহেদ মিজান জানান, বিকাল থেকে একাদশ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাইকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। যাচাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা নির্বাচন কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হলে সেখানে ছবি তুলতে যান শাহেদ মিজান। তিনি মোবাইল দিয়ে ছবি অবস্থায় পেছন থেকে শার্টের কলার ধরে টান দেয় ছাত্রদল নেতা সাইফুর রহমান নয়ন। এসময় শাহেদ মিজান নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে নয়ন। একই সাথে অকথ্য গালিও দেন। সময় সহকর্মী সাংবাদিক ছৈয়দ আলম এগিয়ে আসলে তাকেও মন্দভাষায় কথা বলে নয়ন।

এদিকে সাংবাদিক শাহেদ মিজানকে লাঞ্ছনার ঘটনায় কক্সবাজারে কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা তাৎক্ষণিক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং লাঞ্ছনাকারী ছাত্রদল নেতা সাইফুর রহমান নয়নের শাস্তি দাবি করেছেন।

জানা গেছে, উচ্ছৃঙ্খল হিসেবে সাইফুর রহমান নয়নের ব্যাপক বদনাম রয়েছে। দলীয় সিনিয়র ও জুনিয়র নেতাকর্মীদের সাথেও সে প্রায় সময় খারাপ আচরণ করে থাকে। এই কারণে দলের মধ্যে সে কোনোঠাসা। এলাকায় প্রতিবেশীসহ সাধারণ মানুষের সাথে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে। এই কারণে এলাকায় তার ব্যাপক বদনাম রয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন রিপন বলেন, ‘তার বিষয়টা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। এর দায়িত্ব-দায়িত্ব তার উপর। আমরা এর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছিনা।

এদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মহেশখালী প্রেস ক্লাব। নেতৃবৃদন্দ এ হামলাকারির গ্রেফতার দাবী জানান।