এবারও একক ভাবে ৩য় বারের মত কক্সবাজার কর অঞ্চলে সেরা করদাতার সম্মাননা পেল ওকেএম গ্রুপের চেয়ারম্যান মিস. কামরুন নাহার। একই সাথে তার প্রতিষ্ঠান ওকেএম গ্রুপ ৫ম বারের মতো সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন। কামরুন নাহার মহেশখালীর সন্তান।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০১৭-১৮ করবর্ষে চট্টগ্রামে সেরা করদাতাদের সম্মাননা অনুষ্ঠান সোমবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয় উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো. মোতাহের হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর আপিল ও অব্যাহতি) রওশন আরা আক্তার, কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট চট্টগ্রামের কমিশনার সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম ও চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী।

মিস. কামরুন নাহার ওকেএম ফুড প্রোডাক্টস কোং এর অধীনে হিমায়িত খাদ্য, রিয়েল এস্টেটসহ নানা ব্যবসায় সম্পৃক্ত আছেন প্রায় দুই দশক ধরে। ২০১১, ২০১৬ ও ২০১৮ এই তিন বছর তিনি সর্বোচ্চ করদাতা হন। অপর দিকে ওকেএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ওছিউর রাহমান ২০১৩, ২০১৭ সালে অর্জন করেন সেরা করদাতার সম্মাননা।

সেরা করদাতার সম্মাননা অর্জনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মিস কামরুন নাহার বলেন, এই সম্মাননার পাশাপাশি যদি সর্বোচ্চ করদাতাদের সি আই পি হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানসহ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দেয়ার সুযোগ দেয়া হতো তাহলে আরো অনেকেই কর প্রদানে উৎসাহ বোধ করতেন। এতে করে সরকারের রাজস্ব আরো বৃদ্ধি পেত । তিনি করদাতা ব্যবসায়ীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত ও সম্মানিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যত দিন বেঁচে থাকবো কর দিয়ে যাব। রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য কর দেয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।তিনি কর প্রদানে যোগ্যতা অর্জনকারী সকল মহিলাদের ন্যায্য কর প্রদানে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

মিস কামরুন্নাহার কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার ছোট বোন এবং ওকেএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওছিউর রহমান এর সহোধর্মীনি। ওকেএম গ্রুপ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ওকে এম বিল্ডার্স, হোটেল মিডওয়ে ইন,রয়েল বীচ রিসোর্ট।
ইঞ্জিনিয়ার ইসমত আরা ইসমু
আমিনুল হক।।  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান উপ-কমিটির সদস্য,  প্রতিনিয়ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা মহেশখালী-কুতুবদিয়ার দুই দ্বীপাঞ্চলের নারীদের রাজনীতির পথ  উম্মোচনকারী মুক্তিযোদ্ধা কন্যা ইঞ্জিনিয়ার ইসমত আরা ইসমু বলেছেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহেশখালী- কুতুবদিয়ার নারীরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতীক, মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতীক, উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় রায় দিয়ে ভোটের বিপ্লব ঘটাবে ইনশাল্লাহ। মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

উন্নয়নের কথা চিন্তা করতে হলে অবশ্যই নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার ইসমু। এদিকে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার নারীরা মনে করেন,আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন মহিলা, সংসদের স্পীকার একজন মহিলা, বিরোধী দলের প্রধান একজন মহিলা। তাই আগামী নির্বাচনে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার আসনেও একজন মহিলা নির্বাচন করলে সমস্যা নেই। নারী নেত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইসমু মহেশখালী-কুতুবদিয়ার নারীদের রাজনীতির চোখ খুলে দিয়েছেন। দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে যদি জেলার অন্যতম  মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে ইঞ্জিনিয়ার ইসমুকে মনোনয়ন দেওয়া নাও হয় তাহলে সংরক্ষিত মহিলা আসনে হলেও তাকে দেখতে চান দুই দ্বীপাঞ্চলের নারীরা। তারা আশা করেন, ইঞ্জিনিয়ার ইসমুর দ্বারাই সম্ভব মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় নারী জাগরন সৃষ্টি করা। 
নারীরাও যে কোন অংশে কম নয় তা দেখিয়ে দিলেন মহেশখালীর অবহেলিত ধলঘাটায় জন্ম নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা কন্যা ইঞ্জিনিয়ার ইসমু। মহেশখালীর অন্যান্য এলাকার মতো মাতারবাড়ি, ধলঘাটা, কালারমারছড়া, হোয়ানক ও শাপলাপুর ইউনিয়ন এলাকায় এখন জনপ্রিয় একটি নাম ইঞ্জিনিয়ার ইসমু।

গল্প

কামাল পারভেজ ।।
ঘন জঙ্গল। তার মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া পথটি ভাল করে ঠাহর না করলে বড় সাপের মতোই মনে হয়। যেন ঝোপের ওপর থেকে বেয়ে নামা সাপ। গা চমচম করলেও ঘন লতাপাতা সরিয়ে এগুনো যায় সামনে। তার শেষ মাথায় শিমুল গাছটা। একহারা ঊর্ধ্বমুখী। ঠিক তার কুড়ি হাত দূরে ছোট্ট একটি খাল।

শিউলি ফুলের মতোই ওপর থেকে রোজ ঝরে পড়ে লাল টকটকে শিমুল। গোড়ার চারপাশটা তাই মাঝেমাঝে লাল গালিচার মতোই লাগে। কী অদ্ভুত সুন্দর। কী মায়াময়।

একদিন সেই শিমুল কুড়াতে গিয়েছিল সঞ্চিনি। মুঠোভরা শিমুল। তারপর চারদিন মুখে কোন রা নেই! কেন? -কৌতূহলের শেষ নেই পাড়ার বটপুকুরের মোড়ের আড্ডায়।